বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কদম

বর্ষার প্রতীক কদম ফুল। আর দশটা ফুল থেকে একদমই আলাদা। পাপড়ি নেই, টেনিস বলের মতো সবুজ একটা বলের গায়ে কমলা রঙের কেশর, তার ওপরে আবার সাদা কেশরের কাঁটা। সঙ্গে মনমাতানো সুবাস। স্কুলের আঙিনায়, হাটের মাঝখানে, রাস্তার ধারে, পুকুরপাড়ে কদমগাছ সারা দেশেই দেখা যায়। বৃক্ষজাতীয় গাছ। দ্রুত বাড়ে। কেটে না ফেললে কয়েক শ বছর পর্যন্ত বাঁচে। বর্ষার শুরুতে কদমগাছে ফুল ফোটে। ফুল ফোটে দুই দফায়। প্রথম দফার মাসখানেক পর দ্বিতীয় দফায় ফুল আসে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে কেশর ঝরে যায়। তখন ফুলের ভেতরের সবুজ গোল অংশটিই ফলে পরিণত হয়। কদমগাছের বৈজ্ঞানিক নাম anthocephalus indicus।

নাগলিঙ্গম

বিশালাকৃতির গাছ। অন্য ফুলগুলো যেমন গাছের ডালে পাতার শেষ দিকে মঞ্জরিতে হয়, এ ফুল তার ব্যতিক্রম। ফুল ধরে গাছের কাণ্ডে। ফুলের কুড়ি দেখতে ডুমুরের মতো। লাল রঙের পুরু ছয়টি ছড়ানো পাপড়ি। মাঝখানে ভাঁজ করা কেশর, অন্য ফুল থেকে একেবারেই আলাদা করেছে একে। ঢাকার বোটানিক্যাল গার্ডেন, রমনা পার্ক, নটর ডেম কলেজে বেশ কিছু নাগলিঙ্গমগাছ আছে। বৈজ্ঞানিক নাম couroupita guianensis।

জীববিজ্ঞান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন