বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধূমকেতুটির খোঁজ পাওয়া যায় ২০১৪ সালে। তবে এটি ধূমকেতু নাকি গ্রহাণু, সেটা তখনো বুঝে উঠতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। কারণ, সাধারণত ধূমকেতুর লেজ বা পুচ্ছ থাকে। কিন্তু নতুন এই ধূমকেতুর লেজ নেই। কেন নেই? কারণ, ধূমকেতুটি সে সময় উর্ট ক্লাউড থেকে বের হয়েছে মাত্র। ধূমকেতুটি যখন সৌরমণ্ডলে ঢুকে পড়বে, তখন সূর্যের তাপে বরফ গলতে শুরু করবে। সেই বরফ মহাকাশে ছড়িয়ে পড়তে পড়তে তৈরি হবে লেজ।

জ্যোতির্বিদেরা অনুমান করছেন, বরফে ঢাকা এই ধূমকেতুর ব্যাস ১০০ থেকে ২০০ কিলোমিটার। এটি একটি সাধারণ ধূমকেতুর তুলনায় ১০ গুণ বেশি প্রশস্ত। পৃথিবী থেকে ধূমকেতুটির দূরত্ব অনেক বেশি। তাই এর আকার নির্ণয় করতেও বেগ পেতে হয়েছে বিজ্ঞানীদের। সাধারণত কোনো মহাজাগতিক বস্তু সূর্যের কতটা আলো প্রতিফলিত করতে পারে, তার ওপর ভিত্তি করে সেই বস্তুর আকার নির্ণয় করেন জ্যোতির্বিদেরা। ২০১৪ সালে ডার্ক এনার্জি সার্ভের আর্কাইভ থেকে পাওয়া ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নতুন ধূমকেতুটি সূর্য থেকে ২০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে আছে। ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব বা ১ হাজার ৫০০ কোটি কিলোমিটার। ধূমকেতুটি ২০৩১ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে আসবে। তখন সূর্য থেকে এর দূরত্ব থাকবে ১১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট। তবে ধূমকেতুটি সৃষ্টি হয়েছে সূর্য থেকে প্রায় ৪০ হাজার অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরের একটি উর্ট ক্লাউডে।

নাসার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ধূমকেতুটি সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগবে ৫৫ লাখ বছর। বিজ্ঞানীদের অনুমান, এর আগে কখনো ধূমকেতুটি সূর্যকে প্রদক্ষিণ করেনি।

শিক্ষার্থী: গণিত বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা

সূত্র: নাসা ও স্পেস ডটকম

মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন