বিজ্ঞাপন

২৮ এপ্রিল কলিন্সের পরিবারের সদস্যরা টুইটার ও ফেসবুকে কলিন্সের ভ্যারিফায়েড পেজ এ খবর জানান। তাঁরা জানানা, ‘দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের বাবা ও দাদা আজ চলে গেলেন। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করেছেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর শেষদিনগুলো শান্তিতে কেটেছে। মাইক জীবনের কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে কখনো পালিয়ে যাননি, বীরের মতো লড়েছেন। তাঁর শেষ চ্যালেঞ্জ, ক্যানসারেরও মুখোমুখি হয়েছিলেন একইভাবে। আমরা তাঁকে অনেক মিস করব। একই সঙ্গে মনে রাখব, যে জীবন তিনি কাটিয়েছেন, সেজন্য তিনি ভাগ্যবান। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী, তাঁর জীবন নিয়ে আমরা শোক প্রকাশ করব না, উদযাপন করব। তাঁর তীক্ষ্ম রসবোধ, সুতীব্র লক্ষ্যবোধ এবং বিচক্ষণ দৃষ্টিভঙ্গি- এসবই তিনি শিখেছেন সেই মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে এবং তাঁর মাছ ধরা নৌকায় বসে বিশাল সমুদ্রের শান্ত পানিতে চোখ রেখে।’

উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালে ২০ জুলাই চাঁদের বুকে অবতরণ করেন মার্কিন চন্দ্রযান অ্যাপোলো-১১। সেই অভিযানে প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন নীল আর্মস্ট্রং। কয়েক মিনিট পরে তাঁকে অনুসরণ করে চন্দ্রপৃষ্ঠে পা রাখেন এউডইন অলড্রিন। অন্যদিকে মূল মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বসে চাঁদের কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করেন মাইকেল কলিন্স। তাই চাঁদের বুকে পা রাখার সৌভাগ্য না হলেও ওই মিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ভার ছিল কলিন্সের কাঁধেই।

default-image

চন্দ্র অভিযানের পর আর্মস্ট্রং আর অলড্রিনের সঙ্গে বিশ্ব সফরে বেরিয়েছিলেন কলিন্স। এই সফরের অংশ হিসেবে ১৯৬৯ সালে ২৭ অক্টোবর ঢাকায় পা রেখেছিলেন কলিন্স, অলড্রিন ও আর্মস্ট্রং। তাদের এক নজর দেখতে লাখো মানুষ ভিড় জমিয়েছিল ঢাকার রাজপথে।

default-image

মার্কিন এই নভোচারীর জন্ম ১৯৩০ সালের ৩১ অক্টোবর, ইতালির রাজধানী রোমে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ছিলেন।

বিজ্ঞানচিন্তার পক্ষ থেকে সদ্য প্রয়াত এই নভোচারীরর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা রইল।

মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন