সময়ে সাথে সাথে নক্ষত্র-বায়ু বা ধুলিমেঘ শীতল হয়। ছড়িয়ে যায় আরও দূর আকাশে। এই মেঘের বড় একটা অংশ কার্বন কণা। এরা নক্ষত্র দুইটি থেকে আসা অতিবেগুণি আলো শোষণ করে। পরে উত্তপ্ত হয়ে বিকিরণ করে তাপ। যা মূলত ইনফ্রারেড আলো। জেমস ওয়েবের মাধ্যমে এই ইনফ্রারেড আলো শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাই, প্রথমবারের মতো এই নক্ষত্র সিস্টেমের চারপাশে আলোর ঢেউ দেখা যাচ্ছে।

প্রতি ৭.৯৪ বছর পর পর একটি আলোর রিং তৈরি হয়। জেমস ওয়েবের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে এমন প্রায় ২০টি রিং। অর্থাৎ, নক্ষত্র সিস্টেমটির চারপাশে প্রায় ১৬০ বছর ধরে তৈরি হওয়া নীহারিকা দেখতে পাচ্ছি আমরা। ২০১৬ সালে সবশেষ নক্ষত্র দুইটি কাছাকাছি এসেছিলো।

জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির ইনস্টিটিউট অফ স্পেস অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনটিক্যাল সায়েন্সের জ্যোতিঃপদার্থবিদ রায়ান লাউয়ের নেতৃত্বে একটি দলের অনুরোধে এই নক্ষত্র সিস্টেম পর্যবেক্ষণ করার জন্য জেমস ওয়েব ব্যবহার করা হয়। উলফ-রায়েত ধরনের তারার তারার এতো বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ এই প্রথম। এর মাধ্যমে অদূর ভবিষ্যতে নক্ষত্রের অজানা অনেক রহস্য উন্মোচিত হতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা।

লেখক: শিক্ষার্থী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, তেজগাঁও কলেজ, ঢাকা

সূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট

মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন