গবেষণায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ৫০ শতাংশের শরীরে পিইটি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়। এই প্লাস্টিক পানির বোতল তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ৩৬ শতাংশ মানুষের শরীরে পাওয়া গেছে পলিস্টাইরিন। এটি খাদ্যসহ অন্যান্য পণ্যের মোড়কে ব্যবহৃত হয়।

নেদারল্যান্ডসের ব্রিজ ইউনিভার্সিটি আমস্টারডামের ইকোটক্সিকোলজিস্ট ডিক ভেথাক বলেন, এই প্রথম কোনো গবেষণায় মানুষের রক্তে পলিমার কণার উপস্থিতির বিষয়ে ইঙ্গিত মিলেছে। ফলে গবেষণাটির ফল যুগান্তকারী। তবে এ বিষয়ে গবেষণার সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। সেই সঙ্গে গবেষণায় নমুনার আকারও বাড়াতে হবে।

গবেষণায় দেখা যায়, মাইক্রোপ্লাস্টিক রক্তের মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরে চলাচল করতে পারে। শরীরের যেকোনো অঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক জমতে পারে। রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতির বিষয়টি মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, তা এখনো বিজ্ঞানীদের অজানা। তবে গবেষকেরা মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। কারণ, গবেষণাগারে পরিচালিত পরীক্ষায় দেখা গেছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক মানুষের কোষের ক্ষতি করে।

টুথপেস্ট, ক্রিম থেকে শুরু করে নিত্য অনেক পণ্যেই ব্যবহার করা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক। এ ছাড়া দূষিত বায়ুতে থাকা ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র কণা শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে, যা ইতিমধ্যে সবার জানা। এ কণা বছরে লাখো মানুষের অকালমৃত্যুর জন্য দায়ী। পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর একটি উপাদান মাইক্রোপ্লাস্টিক।

সূত্র: স্মিথসোনিয়ানম্যাগ ডটকম

জীববিজ্ঞান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন