আরেকটি বড় উদ্যোগ হলো, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপাদনে শীর্ষে থাকা বেশ কিছু দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানীতে তারা আর অর্থায়ন করবে না। তবে জ্বালানী খাতে শীর্ষ বিনিয়গকারী দেশ চীন ও জাপান এ বিষয়ে একমত হয়নি। এটিও একটি খারাপ খবর।

তবে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা দেড় ডিগ্রির মধ্যে রাখার লক্ষ্যে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বের আর্থিক সম্পদের ৪০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণকারী চার শ কোম্পানি। পাশাপাশি, ক্রীড়াঙ্গনে ২০৪০ সালের মধ্যে নেট জিরো অর্জন এবং সেজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ অর্ধেকে নামিয়ে আনার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে পরিবেশবাদীরা বলছেন, এসবই শুধু কথার কথা। গ্রেটা থুনবার্গ বেশ ক্ষুদ্ধ এ নিয়ে। তাঁর মতে, এ সবই বিশ্বনেতাদের ভান। তাঁরা মোটেও আন্তরিক নন।

কপ২৬ বাংলাদেশের জন্য এখন সত্যি সত্যি বাঁচা-মরার প্রশ্ন। এবারে যেসব উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে এবং প্যারিস চুক্তির সময় যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা সঠিকভাবে অর্জিত না হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ। ঋতু ওলট-পালট হয়ে যাওয়া, খরা, বন্যা, ঝড় ও বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইতিমধ্যেই প্রবলভাবে দেখা যাচ্ছে দেশে। সেজন্য কপ২৬ যেন সফল হয় ও এর লক্ষ্যগুলো যেন অর্জিত হয়, এটাই হতে পারে বাংলাদেশের চাওয়া।

জীববিজ্ঞান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন