ফটোফিচার
বিশ্ব জাগুয়ার দিবসে জেনে নিন ৭ তথ্য
আজ বিশ্ব জাগুয়ার দিবস। প্রতিবছর ২৯ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী এ দিবস পালিত হয়। জাগুয়ার বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী না হলেও শংকার মুখে রয়েছে। প্রতিনিয়ত কমছে জাগুয়ারের সংখ্যা। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশন অব নেচার এগুলোকে ‘নিয়ার থ্রেটেন্ড’ বা বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সচেতন না হলে হয়তো অচিরেই পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে এসব প্রাণী।
১/৭
বাঘ জাতীয় মোট চারটি প্রজাতির একটি জাগুয়ার। এরা প্যানথেরা গণের সদস্য। এই গণের বাকি তিন সদস্য হলো বাঘ, সিংহ ও চিতাবাঘ। তবে এগুলো সবই মূলত বিড়ালজাতীয় প্রাণী। আর এদিক থেকে জাগুয়ার বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিড়ালজাতীয় প্রাণী।
২/৭
সাধারণত স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী এদের প্রিয় খাবার। হরিণ, বানর ও কুমিরের মতো প্রাণী ধরে খেয়ে ফেলে নিমেষেই।
৩/৭
প্রাপ্তবয়স্ক জাগুয়ার প্রায় ৯৬ কেজি হয়। প্রাপ্তবয়স্ক জাগুয়ারের মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত দৈর্ঘ্য হতে পারে ৩ থেকে ৬ ফুটের মতো।
৪/৭
জাগুয়ারের গায়েও চিতাবাঘের মতো কালো ছোপ ছোপ দাগ আছে। তবে এরা চিতাবাঘের চেয়ে বড় এবং শক্তিশালী।
৫/৭
বর্তমানে শুধু আমেরিকা মহাদেশে জাগুয়ারের দেখা মেলে। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Panthera onca। এগুলো আমেরিকা মহাদেশেই বসবাস করছে বংশানুক্রমে।
৬/৭
বিশ্বে মাত্র ১৫ হাজার জাগুয়ার জীবিত আছে। ১৯৬০-এর দশকে ব্রাজিলিয়ান অ্যামাজন বনে প্রায় ১৮ হাজার জাগুয়ারকে মেরে ফেলা হয়। সে জন্য ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশন অব নেচার এগুলোকে ‘নিয়ার থ্রেটেন্ড’ বা বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এখনও সচেতন না হলে একসময় হয়তো জাগুয়ার শুধু জাদুঘরেই দেখতে হবে।
৭/৭
জাগুয়ার বাঁচাতে ২০১৮ সালে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয় ১৪ দেশের প্রতিনিধিরা। সেখানে ‘জাগুয়ার ২০৩০’ নামে একটি ফোরাম তৈরি করা হয়। এরপর থেকে আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জাগুয়ার দিবস। এ দিবসের লক্ষ্য জাগুয়ার নিয়ে মানুষকে, বিশেষ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাগুয়ার রক্ষায় সচেতন করা।
সূত্র: এ-জেড অ্যানিমেল ডট কম, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশন অব নেচার