মিসরের পিরামিডে ঢুকলে কি অভিশাপ লাগতে পারে
হাজার বছরের প্রাচীন কোনো জমিদারবাড়ি বা রাজপ্রাসাদের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠে ঘোরার সময় গা-ছমছম করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ক্ষুধিত পাষাণ-এ 'সব ঝুট হ্যায়, সব ঝুট হ্যায়' উক্তির মধ্যে অভিশাপের ইঙ্গিত রয়েছে। জয়দেবপুরের জমিদারবাড়িরে বিভিন্ন ঘর ও দিঘির ঘাটে দাঁড়ালে মনে কেমন ভয় ভয় করে। দিল্লির হুমায়ুনস টম্ব-এর নিচতলার অন্ধকার ঘরগুলোতে বা কুতুব মিনারের আধা-আঁধারে ঢাকা চক্রাকার সিঁড়ি, অথবা লালকেল্লার লাইট অ্যান্ড সাউন্ডে মোগল যুগের ইতিহাস উন্মোচনের মুহূর্তে মনে হয় কত অশরীরী আত্মা বুঝি ঘুরে বেড়াচ্ছে, এই বুঝি ঘাড় মটকে দিল!
মনে হয় ওসব প্রাচীন স্থাপনার রন্ধ্রে রন্ধ্রে কত প্রেতাত্মার অভিশাপ বুঝি লুকিয়ে আছে! আসলে ওসব ভুল কথা। প্রেতাত্মা বা অভিশাপ বলে কিছু নেই। তাহলে অভিশাপের কথা কেন আসছে? আসছে এ জন্য যে অনেক প্রাচীন স্থাপনায় চোরের দল মাটি খুঁড়ে মূল্যবান পুরাকীর্তি নিয়ে যায়। আধা অন্ধকারে পর্যটকেরা ওইসব গর্তে হঠাৎ পড়ে যান। তখন মনে করা হয় অভিশাপের জন্যই এ রকম হচ্ছে। মিসরের পিরামিডের ভেতর এ রকম অনেক কবর খোঁড়া গর্ত রয়েছে।
