কিশোর বয়স থেকে বিজ্ঞানের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ আগ্রহ নেই। বিজ্ঞান বিষয়টিকে বিরক্তিকর ও কঠিন বিষয় বলে মনে করতাম। পরীক্ষায় সব সময় বিজ্ঞানে কম নাম্বার পেতাম। বিজ্ঞান ক্লাসে কখনো মনোযোগ দিতাম না।
২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে আমার সবচেয়ে ভালো এক বন্ধু একটি ম্যাগাজিন এনে দেয়, নাম বিজ্ঞানচিন্তা। আমি প্রথম প্রথম ম্যাগাজিনে ছবি দেখতাম আর মুগ্ধ হতাম। কয়েক দিন পর মনে হলো, ম্যাগাজিনটি পড়ে দেখা দরকার। আমি এটি পড়া শুরু করলাম। যখন ম্যাগাজিনের প্রথম কয়েক পাতা পড়লাম, আমার মনে হলো, আমি যেন বিজ্ঞানের দুনিয়ায় চলে গেছি। বিজ্ঞানচিন্তা আমার জীবনচক্র পরিবর্তন করে দিয়েছে। এই ম্যাগাজিন পড়ার পর এক অন্য রকম অনুভূতি এল আমার জীবনে। অনুভূতিটা ছিল বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা, বিজ্ঞানের প্রতি এক অধীর আগ্রহ, বিজ্ঞান নিয়ে হাজারো কল্পনা। যখন আমি ম্যাগাজিনটি পড়তাম, তখন নিজেকে বিজ্ঞানের দুনিয়ায় হারিয়ে ফেলতাম। কী এক বিস্ময়কর ম্যাগাজিন, তাই না! বিজ্ঞানচিন্তা না পড়লে বুঝতে পারতাম না যে বিজ্ঞান বিষয়টা এত মজার, সঙ্গে আনন্দেরও। পরিশেষে আমি বলব, বিজ্ঞানচিন্তা আসলেই জীবনচক্র পরিবর্তনের বিস্ময়কর রূপ।
আমি চাই বাঙালির ঘরে জন্ম নিয়ে প্রত্যেক সন্তান ম্যাগাজিনটি পড়ুক। বিজ্ঞানচিন্তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য আমার বন্ধুকে ধন্যবাদ। আজ আর নয়। আজকের মতো বিদায়।
নুসরাত জান্নাত, জাংগালিয়া উচ্চবিদ্যালয়, কালীগঞ্জ, গাজীপুর