৩. সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জার্মান রসায়নবিদ জন ব্যানিস্টার গুডএনাফ। ২০১৯ সালে তিনি যখন নোবেল পান, তখন তাঁর বয়স ছিল ৯৭ বছর। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য মিখাইল স্ট্যানলি উইটিংহাম এবং আকিরা ইয়োশিনোর সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান গুডএনাফ। ভদ্রলোক এখনও অর্থাৎ, ২০২২ সালেও বহাল তবিয়তে বেঁচে আছেন।

৪. পদার্থবিজ্ঞানে সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল পেয়েছেন উইলিয়াম লরেন্স ব্র্যাগ। ১৯১৫ সালে তিনি যখন নোবেল পান, তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। কনিষ্ঠতম নোবেলজয়ী হিসেবে মালালা ইউসুফজাই-র নাম আমরা সবাই জানি। তাহলে লরেন্স ব্র্যাগ-এর কথা আলাদা করে বলছি কেন? কারণ, তিনি ১৯১৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানের নোবেলটা যাঁর সঙ্গে যুগ্মভাবে পেয়েছেন, তিনি আর কেউ নন, লরেন্স ব্র্যাগের বাবা উইলিয়াম হেনরি ব্র্যাগ! এক্স-রে ব্যবহার করে কেলাসের গঠন বিশ্লেষণে অবদানের জন্য তাঁদেরকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পিতা-পুত্রের একসঙ্গে একই বিষয়ে নোবেল পাওয়ার ঘটনা ইতিহাসে আর নেই।

৫. মেরি কুরি একমাত্র নারী, যিনি দুবার নোবেল পেয়েছেন—১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ১৯১১ সালে রসায়নে। ১৯০৩ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কারের জন্য দেওয়া নোবেলটি ভাগাভাগি হয় তিনজনের মধ্যে—মেরি কুরি, তাঁর স্বামী পিয়ের কুরি ও হেনরি বেকরেল। ১৯১১ সালে রেডিয়াম এবং পোলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য রসায়নে মেরি যে নোবেলটি এককভাবে পান, তা হয়তো তিনি স্বামী পিয়ের-এর সঙ্গে যুগ্মভাবেই পেতেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ১৯০৬ সালে এক দুর্ঘটনায় মারা যান পিয়ের কুরি । মেরির মেয়ে ইরিন জুলিয়ো কুরি (প্রচলিত ভুল উচ্চারণ—আইরিন জুলিয়েট কুরি) রসায়নে নোবেল পান ১৯৩৫ সালে। পুরোদস্তুর নোবেল পরিবার!