১০০ সংখ্যাটা বেশ মোহনীয়, তাই না? আমাদের যাপিত জীবনে পরিপূর্ণতার এক মূর্ত প্রতীক। হোক শতাংশের পূর্ণমান বা পরীক্ষার খাতার পূর্ণ নম্বর—সবকিছুতে ১০০-এর জয়জয়কার। সেই ২০১৬ সাল থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে একটু একটু করে এগিয়ে গেছ—দীর্ঘ আট বছর! আর, আজ তুমি ‘এপ্রিল ২০২৫’ সংখ্যার হাত ধরে ১০০তম সংখ্যার বিজয়মুকুট পরে উজ্জ্বল মুখে হাসছ—শুধু তুমি নও, আমার মতো সব বিজ্ঞানচিন্তা পাঠকেরা গর্বে বুক ফুলিয়ে, অপার আনন্দে কাঁদছি। এই অসামান্য, অসাধারণ অনুভূতি যেন ∞ দিয়েও পরিমাপযোগ্য নয়!
সংখ্যাটা হাতে পাওয়ার পর শুধু অনিমেষ নয়নে প্রচ্ছদের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। কী চমৎকার ভিন্টেজধর্মী আর্টিস্টিক প্রচ্ছদ! এরপর পাতা উল্টে উল্টে দেখি তোমার ১০০ নিয়ে জমজমাট আয়োজন। বিজ্ঞানের বহুমুখী রঙে রাঙানো সেই ১০০ ছোট ছোট মজার তথ্য (ফ্যাক্ট) পড়ে দারুণ মজা পেয়েছি (যদিও অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে একটু রিপিটেশন হয়েছে, তবু তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখলাম। এর পর থেকে এসব বিষয়ে আরেকটু যত্নবান হবে, কেমন?)। সেই সঙ্গে আব্দুল কাইয়ুম স্যারের সাক্ষাৎকার, মলাট কাহিনি, কমিক-ফিচার, কুইজ, বিজ্ঞান ছড়া, রম্যরচনাসহ নিয়মিত–অনিয়মিত নানা পসারে যেন আলো হয়ে আছে সেই সংখ্যা। অন্য রকম টুইস্ট হিসেবে ছিল পাঠকদের গল্প-ফিচার, পড়ে আমি খুবই আনন্দিত! আশা করছি, এভাবে বিজ্ঞানচিন্তা পাঠকদের আরও সম্পৃক্ত রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।
হঠাৎই আমার অন্যতম পছন্দের বুক-রিলেটেড প্ল্যাটফর্ম গুডরিডসে তোমার সন্ধান পেয়ে যাই (অন্যান্য সংখ্যার পাশাপাশি এই সংখ্যাটাও ছিল)। বলতে গেলে আমার বিস্ময়ে প্রায় বাক্রুদ্ধ হওয়ার মতো অবস্থা! এই ভেবেই আমি সবচেয়ে খুশি হই যে প্রতি মাসে তোমাকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি গুডরিডসেও তোমার আপডেট রাখতে পারব। বিষয়টা দারুণ না?
বরাবরের মতো তোমার নতুন সংখ্যার অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থেকো। বিজ্ঞানচিন্তার জয় হোক।
তূর্ণা দাশ, অষ্টম শ্রেণি, পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পাবনা