শাবাশ, বিজ্ঞানচিন্তা!

কত অদ্ভুত বিষয় নিয়ে সংখ্যা করো তুমি! তাই বলে তোমার সংখ্যাগুলোকে খারাপ বলছি না। দারুণ সব বিষয়ে সংখ্যা করো তুমি! বিজ্ঞানচিন্তা নিয়ে আমার অজানা কৌতূহল মেটানোর একটি ছোটগল্প শোনাই। একটি বই উপহার পেয়েছিলাম বিজ্ঞানচিন্তা থেকে। ওখানে ‘ইথার’ সম্পর্কে জেনেছিলাম। ইথার কী বা কেন, এ রকম বিস্তারিত আলোচনা ছিল না। তবে ইথার বাতিল হওয়ার কথাটা লেখা ছিল।

তখন থেকে আমার মনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, ইথার জিনিসটা কী? আমার সেই কৌতূহল বিজ্ঞানচিন্তার কাছে জানানোর প্রয়োজন হয়নি। তার আগেই বিজ্ঞানচিন্তা ইথার নিয়ে বেশ মজার একটি ফিচার ছেপে আমাকে অবাক করে দিয়েছে। বিজ্ঞানচিন্তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

বিজ্ঞানচিন্তার গতবারের সংখ্যাটাও বরাবরের মতোই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ইশতিয়াক স্যারের লেখা ‘বিজ্ঞানের চোখে ডিসির সুপারহিরোরা’ লেখাটা পড়ে বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলাম। তারপর ‘কোয়ান্টাম জেনো ইফেক্ট’ এবং ‘মার্ভেলের সুপারহিরোরা’। লেখাগুলো সত্যিই অসাধারণ ছিল। তবে আমি চাই, বিজ্ঞানচিন্তায় ‘দেহঘড়ি’ নিয়ে একটি সংখ্যা ছাপানো হোক। তা ছাড়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে আরও ভালো ও সহজভাবে বুঝতে ইশতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্যারের একটি সাক্ষাৎকার চাই। বিজ্ঞানচিন্তা বরাবরের মতোই আমাদের অজানা কৌতূহল মেটাচ্ছে। বিজ্ঞানচিন্তার জন্য ভালোবাসা ও শুভকামনা। ভালো থেকো।

মো. নানজিব ফাহিম, অষ্টম শ্রেণি, বর্ণমালা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঢাকা