দেশ ও সমাজের কল্যাণের জন্যই আমাদের বিজ্ঞান শিখতে হবে
প্রতিবছরের অক্টোবর, সেই বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। আর বিজ্ঞানচিন্তাও অক্টোবরে বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীদের নিয়ে সংখ্যা করে। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও ‘বিজ্ঞানের নোবেল ২০২৫’ শিরোনামে বিজ্ঞানচিন্তার নতুন সংখ্যা বাজারে আসছে। এ মাসেই গেল আমার প্রিয় ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তার নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী! বিজ্ঞানচিন্তার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
বিজ্ঞানচিন্তা আমাদের দেশে বিজ্ঞানে অবদান রাখছে। প্রতিবছরই বিজ্ঞানচিন্তা বিজ্ঞান উৎসবের আয়োজন করে। পাশাপাশি বছরে প্রায় কয়েকবার আয়োজন করে বিজ্ঞান বক্তৃতার। একটা কথা তো বলাই হয়নি। বিজ্ঞানচিন্তার প্রতিটি লেখার সঙ্গে যুক্ত ছবিগুলো আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখি। অনেক ভালো লাগে। বিজ্ঞানচিন্তার কুইজগুলোও কিন্তু মেলাতেই খুব ভালো লাগে। তার ওপর বিজ্ঞানচিন্তা কুইজ বিজয়ীদের লটারির মাধ্যমে আবার বইও উপহার দেয় দেখি। সেটা তো আমাদের সবার জন্য উপরি পাওনা। বিজ্ঞানে বিজ্ঞানচিন্তার অবদান আসলে ভাষায় ব্যক্ত করার মতো নয়। তা–ও যদি এই চিঠিতে বিজ্ঞানচিন্তার সব অবদানের কথা লিখতে যাই, তাহলে হয়তো অক্টোবরের ডাকবাক্সের সব জায়গা শেষ হয়ে যাবে। তখন তো আর অন্যরা লেখার সুযোগ পাবে না। কিন্তু আমি তা চাই না। আসলেই দেশ ও সমাজের কল্যাণের জন্যই আমাদের বিজ্ঞান শিখতে হবে।
বিজ্ঞানচিন্তার সেপ্টেম্বর সংখ্যাটাও চমৎকার সব ফিচারে পূর্ণ ছিল। তবে আমি এই বছরের সেরা কয়েকটা সংখ্যার কথা বলব, যেগুলো দুর্দান্ত হয়েছিল। জুন ২০২৫ (টেকনোলজিক্যাল সিঙ্গুলারিটি), নভেম্বর ২০২৪ (পাঁচটি বিজ্ঞান কল্পগল্প), মার্চ ২০২৫ (এক ডজন বিজ্ঞান কল্পগল্প) আর এপ্রিল ২০২৫ (বিজ্ঞানচিন্তা ১০০)। অক্টোবর মাসেই আমার বিজ্ঞানচিন্তায় লেখালেখি করার এক বছর পূর্ণ হলো। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল…
মো. নানজিব ফাহিম, অষ্টম শ্রেণি, বর্ণমালা আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঢাকা