পটভূমি

আলোর গতি ধ্রুব। একে সাধারণত c দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এটিই মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসীমা। আবার কোনো কিছুই আলোর চেয়ে বেশি বেগে চলতে পারে না, এ সত্যের ওপর নির্ভরশীল পদার্থবিজ্ঞানের আমাদের এখনকার উপলব্ধি। একমাত্র বিদ্যুৎচুম্বকীয় বিকিরণ‌ই সর্বোচ্চ গতিবেগে চলতে পারে, শূন্যস্থানে যার বেগ সেকেন্ডে ২,৯৯,৭৯২,৪৫৮ মিটার। ভরযুক্ত যেকোনো কিছু অতি দ্রুতবেগে চলতে থাকলে স্থান ও কালে অদ্ভুত কিছু ঘটতে দেখা যায়। এ বিষয়ই আইনস্টাইন তাঁর বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন।

default-image

আলবার্ট আইনস্টাইন

আইনস্টাইনের জন্ম ১৮৭৯ এবং মৃত্যু ১৯৫৫ সালে। জীবদ্দশায় পদার্থবিজ্ঞানে বৈপ্লবিক কিছু পরিবর্তন আনেন তিনি। ছেলেবেলায় জার্মানিতে থাকার সময় ভৌত বল ও জ্যামিতির রহস্যের প্রতি আকৃষ্ট হন। কিন্তু ১৬ বছর বয়সে জার্মানির এক স্কুল ছেড়ে পালিয়ে সুইজারল্যান্ডে মা–বাবার কাছে চলে যান। পরবর্তী সময়ে সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তাঁর চাকরিজীবন শুরু হয় সুইস পেটেন্ট অফিসে।

এ সময়ই জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্ব ও আলোর চলাচল নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেন। ১৯০৫ সালে এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন জার্মানির বিখ্যাত এক বিজ্ঞান জার্নালে। এটিই পরে বিশেষ আপেক্ষিকতা হিসেবে পরিচিতি পায়। এ ছাড়া একই বছর তিনি পরমাণুর অস্তিত্ব ও কোয়ান্টাম তত্ত্ব নিয়ে গবেষণাপত্র এবং তাঁর বিখ্যাত সূত্র E=mc2 প্রকাশ করেন।

পদার্থবিজ্ঞান থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন