তাই সাহস ফিরে পেলাম এবং আমি চুপ করে গেলাম। খানিক পর ও মুখ খুলল।

—তুমি কে?

—অহিন হাওলাদার। আর তুমি?

—X204।

—কী! ও আচ্ছা।

—প্লিজ, আমায় একটা হেল্প করবে?

—বলো কী করতে পারি?

—আমার স্পেসশিপটা খারাপ হয়ে গেছে। আমার গ্রহে খবর দিতে হবে।

—তো, আমি কী করতে পারি?

—আসলে গ্রহে সিগন্যাল পাঠাতে একটা টিটিএম লাগবে।

—আমি এটা কোথায় পাব?

—না না, এটা আমার কাছেই আছে কিন্তু এটা অ্যাকটিভ হতে ৩০ দিন লাগবে। এই কটা দিন তুমি কোথাও আমাকে থাকার একটা ব্যবস্থা করে দাও।

—বেশ, তবে এই কটা দিন তুমি আমার সঙ্গেই থাকবে। কিন্তু হ্যাঁ, মা–বাবা যেন টের না পান।

—ওকে।

এই ৩০টা দিন কত স্মৃতিই না জমে ছিল ওর সঙ্গে। আস্তে আস্তে আমরা একে অপরের বন্ধু হয়ে উঠলাম। ওসব X204 বলে আমার ওকে ডাকতে ইচ্ছে করছিল না। তাই আমি ওর একটা নতুন নাম দিলাম, ‘রিয়ানো’। ৩০ দিন পর ও আবার আমাকে বিদায় জানিয়ে চলে গেল। এখনো আমার ওকে মনে পড়ে। কে জানে কেমন আছে ও? আই মিস ইউ রিয়ানো। ছলছল চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি একটা নীল আলো। কিন্তু ওটা সত্যিই প্লেনের আলো। তাহলে পেছনের ঝোপ থেকে আসা ওই ঘড়ঘড় আওয়াজটা কিসের?

লেখক: শীক্ষার্থী, ষষ্ঠ শ্রেণি, বরিশাল শহীদ আরজু মনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়

বিজ্ঞান কল্পগল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন