default-image

নতুন এই গ্রহটি তার নিজস্ব নক্ষত্র থেকে প্রায় ১০০ গুণ দূরে অবস্থিত। তাই জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের পক্ষে ওই নক্ষত্র ও গ্রহটি আলাদা করতে অসুবিধে হয়নি। ওয়েবের নিয়ার-ইনফ্রারেড ক্যামেরা ও মিড-ইনফ্রারেড ক্যামেরা দুটি করোনাগ্রাফের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এ কারণেই এ ধরণের গ্রহের সরাসরি ছবি তুলতে পারে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। তবে, এই দশকের শেষের দিকে নাসার ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণ করা হবে। সেই টেলিস্কোপে আরও উন্নত করোনাগ্রাফ ব্যবহার করা হবে। ফলে দূর মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহ, নক্ষত্রের ছবি তোলা যাবে আরও পরিষ্কারভাবে।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া এই ছবিগুলো বিশ্লেষণের নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পোস্টডক্টরাল গবেষক আরিন কার্টার। তিনি বলেন, ‘ছবিটি পেয়ে মনে হয়েছিল মহাকাশে গুপ্তধন খুঁজে পেয়েছি। প্রথমে ভেবেছিলাম, এইচআইপি ৬৫৪২৬ নক্ষত্রের আলো বিকিরণ হচ্ছে। কিন্তু ছবিগুলো আরও সাবধানে, ভালো করে দেখে বুঝলাম, এটা শুধু নক্ষত্রের বিকিরিত আলো নয়। নক্ষত্রের আলো সরাতে বেরিয়ে এল গ্রহটি।’

লেখক: শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা

সূত্র: নাসা

মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন