ইঞ্চি দশেক দূরত্বপথ মুখ টু পাকস্থলী
তা পেরোতেই সাতটি সেকেন্ড! কারণখানা বলি...
ধ্বংস হতে চায় না কেউই, খাবারও এই দলে
মুখে থাকা খাবার নিয়ে ধাক্কা-ঠেলা চলে।
দাঁত চিবিয়ে চূর্ণ করে, গ্রন্থি পাঠায় লালা
পিছল খাবার! এবার তোমার যাত্রা করার পালা।
বন্ধ আছে খাদ্যনালি ছাড়া সকল গলি
বরণ করার জন্য বসে আছে পাকস্থলী।
খাবার বলে, বরণ না ছাই! কুমির-ভরা খালে
পাকস্থলী আছে আমায় হজম করার তালে!
পরিণতি ভাবতে গেলেই চমকে ওঠে পিলে
আমার পেছন লাগলে কেন তোমরা সবাই মিলে?
দাঁত, তুমি ভাই কোন কারণে মুখের ভেতর এলে
আমায় পিষে চূর্ণ করার শিক্ষা কোথায় পেলে?
দাঁত বলে না কোনো কথা, জিহ্বা হেসে বলে
তুমি যদি না যেতে চাও আমরা গ্যাঁড়াকলে।
খাবারটাকে বাগে পেয়ে দুষ্ট খাদ্যনালি
সংকোচনের মধ্য দিয়ে সামনে ঠেলে খালি!
অনিচ্ছাতেও খাবার পড়ে পাকস্থলীর কোলে
আনন্দে তাই পাকস্থলী তৃপ্তি ঢেকুর তোলে।
পাকস্থলী খাবারটাকে কথার মধু ঢেলে
বলে, কী হে অলস খাবার! এতক্ষণে এলে!
বিরস মুখে খাবার বলে, কেমন করে বলি!
ধ্বংস হতে চাই না বলেই পারলে ধীরে চলি।