রাতে ঘুমের মধ্যে হাঁচি আসে না কেন
ঠান্ডা লাগলে নাক দিয়ে পানি ঝরে। বারবার হাঁচি আসে। এর কারণ হলো ঠান্ডায় নাসারন্ধ ফুলে ওঠে। এ সময় বাতাসের সঙ্গে ধূলিকণা বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী কোনো বস্তুকণা নাকে ঢুকলে ফুলে ওঠা অংশে আঘাত করে। এর ফলে সৃষ্ট স্পর্শানুভূতিতে হাঁচির সৃষ্টি হয়। কিন্তু রাতে ঘুমের সময় সাধারণত ঘরের ভেতর মানুষ চলাফেরা করে না, ফলে বাতাসে ধূলিকণাও ওড়ে না। বাতাসে আলোড়ন না থাকলে ধুলাবালু মেঝেতে থিতিয়ে পড়ে। তাই রাতে ঘুমের সময় নাকের ভেতর ধূলিকণা ঢোকার আশঙ্কা কমে যায়। এ জন্যই রাতে ঘুমের মধ্যে সাধারণত হাঁচি আসে না।
এমনকি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে (এয়ারকন্ডিশনড) ঘুমালেও হাঁচি আসে না, কারণ যন্ত্রে ফিল্টার থাকে যেন ধুলাবালু না ঢুকতে পারে। তবে এয়ারকন্ডিশনার বন্ধ করে একটু পরে আবার চালু করলে মেঝেতে থিতিয়ে পড়া ধুলাবালু আলোড়িত হয় এবং তা নাকে ঢুকে হাঁচির কারণ ঘটাতে পারে। একে অবশ্য ঘুমের মধ্যে হাঁচি বলা যায় না। অনেকে দেখেছেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে দরজা-জানালা খুলে দিলে দমকা হওয়ায় হাঁচি আসে। বসন্তে বাতাসে ফুলের রেণু ছড়িয়ে থাকে। তখন অ্যালার্জিপ্রবণেরা হাঁচিতে কাবু হয়ে পড়েন। তাঁদের অনেকের হয়তো সারা রাতই হাঁচি আসে। সম্ভবত তখন তাঁর পক্ষে ঘুমিয়ে থাকা কঠিন।
