যদিও জলবায়ুর পরিবর্তন একটা বৈশ্বিক সমস্যা, তবু উন্নয়নশীল বা অনুন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব হবে ভয়ংকর ও সামঞ্জস্যহীন। কেননা, এসব দেশে পরিবর্তিত পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর উপাদান, জ্ঞানবিজ্ঞান ও কলাকৌশলের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে, উন্নত দেশগুলোর জনগণের উন্নত জীবনযাপনের বলি হচ্ছে বা হবে উন্নয়নশীল দেশগুলো। জ্বলন্ত একটা উদাহরণ হচ্ছে বাংলাদেশ। যেমন বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, পৃথিবীর মোট গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্র শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ নিঃসরিত হয় বাংলাদেশে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরাই হব জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শীর্ষ ১০টি দেশের একটি। মূলত ভৌগোলিক অবস্থান, অতিরিক্ত জনসংখ্যা, দারিদ্র্য ও সামাজিক সুরক্ষার অপ্রতুলতা বাংলাদেশের ঝুঁকিকে দিন দিন প্রসারিত করছে। ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন চলক, যেমন বৃষ্টিপাত ও গড় তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের অভিঘাত বৃদ্ধিতে অর্থনীতির খাতওয়ারি প্রভাব ধীরে ধীরে তীব্রতর হচ্ছে, যা সামনের দিনে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার বাইরে চলে যেতে পারে। মানুষের জীবন–জীবিকার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো সংক্ষেপে দেখা যাক।

গবেষণায় দেখা যায়, দেশের উপকূলীয় ও অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তনশীলতা ব্যাপক, যা খুবই উদ্বেগের। গত ৫০ বছরে (১৯৬৮-২০১৮) দেশে দিন ও রাতে উষ্ণতার হার বেড়েছে। একইভাবে দিন ও রাতের শীতলতা ভীষণ হ্রাস পেয়েছে। অর্থাৎ গত পাঁচ দশকে উষ্ণ দিনের সংখ্যা উপকূলীয় অঞ্চলগুলোয় প্রতিবছরে গড়ে শূন্য দশমিক ৩৯৪ দিন এবং দেশের অভ্যন্তরভাগে শূন্য দশমিক ১৫ দিন করে বেড়েছে। এ ছাড়া উষ্ণ দিনের সময় উপকূলীয় অঞ্চলে শূন্য দশমিক ৫০৭ দিন করে প্রতিবছর বাড়ছে। তাপমাত্রার তুলনায় বৃষ্টিপাতের সূচকগুলো অপেক্ষাকৃতভাবে কম পরিবর্তিত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভারী ও প্রচণ্ড ভারী বর্ষণের পরিমাণের সংখ্যা। বরিশাল, দিনাজপুর, ফরিদপুর ও রাজশাহীতে বার্ষিক ভারী বর্ষণের দিন উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ফলে উত্তরবঙ্গের এলাকাগুলোয় খরা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের মতো পুরো দেশে বৃষ্টিপাত কমলেও নগর এলাকাগুলোতে ভারী ও চরম বৃষ্টিপাতের দিনের সংখ্যা বাড়ছে, প্রকট হচ্ছে জলাবদ্ধতা। গত পাঁচ দশকে দেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ টানা শুষ্ক দিনের সংখ্যাও কমেছে। আরও শঙ্কার বিষয় হচ্ছে, উপকূলীয় নিম্নভূমির এলাকাগুলোতে বৃষ্টিপাতের হার দিন দিন বাড়ছে। তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের অনিয়মিত আচরণ কৃষিক্ষেত্রে যেমন ফসলের উৎপাদন ব্যাহত করছে, তেমনি চিরায়ত কৃষিচিত্র পাল্টে গেলে কর্মসংস্থান হ্রাসের কারণে জীবিকার সংকট তীব্রতর হবে। এ বছর এপ্রিল মাসে তাপমাত্রার আকস্মিক অভিঘাতে ধানের উৎপাদন কিছু কিছু জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিঃসন্দেহে হিটশক আমাদের জন্য একটা নতুন চ্যালেঞ্জ, যা অতীতে ছিল না বা থাকলেও বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার পলি মাটি দিয়ে হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ, ইন্দো-গাঙ্গেয় সমতল ভূমি, যার মধ্যে নদীব্যবস্থার ব্যাপ্তি ১৭৫ মিলিয়ন হেক্টর। কিন্তু এর মাত্র ৭ শতাংশ রয়েছে বাংলাদেশে। এই ছোট্ট অংশ দিয়েই বন্যার সময় সেকেন্ডে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০০ ঘনমিটার পানি বঙ্গোপসাগরে পড়ে। একসঙ্গে এত পানি নির্গমনের বিবেচনায় বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম। জলবায়ু পরিবর্তনে আকস্মিক ও অনিয়মিত বন্যার প্রকোপ দেশে বাড়ছে বলে আমাদের গবেষণায় দেখা যায়। ২০২০ সালে এমনটা হয়েছে এবং নদীভাঙনও ছিল ভয়াবহ। অতীতে অনেক বড় বড় বন্যা দেশে হয়েছে এবং আমাদের অভিযোজন কৌশল ছিল কার্যকর। কিন্তু চরম ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাত বাড়লে বন্যার স্থানিক ও কালিক ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। সুতরাং, বর্তমান অভিযোজন কৌশল খুব কমই ফলপ্রসূ হবে। বন্যার অস্বাভাবিক আচরণে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি যত্রতত্র ভূমির উন্নয়ন, যেমন রাস্তাঘাট, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণও সমভাবে দায়ী। যদিও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধির প্রমাণ এখন পর্যন্ত কম, তবু যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর তীব্রতা অতীতের ঘূর্ণিঝড়গুলোর তুলনায় বেশি হবে বা হচ্ছে। যেমন মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে উপকূলের বিস্তীর্ণ অংশে জোয়ারের ভয়াবহতা আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। ফলে জোয়ারের তাণ্ডবে ফসলি জমিসহ গবাদিপশুর ক্ষতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অর্থাৎ, দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আশানুরূপ উন্নতিতে প্রাণহানি কমলেও বৃদ্ধি পাচ্ছে দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি। যেমন ২০১৮ সালে আবহাওয়ার আকস্মিক ও চরম ঘটনার জন্য দেশে প্রাক্কলিত অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ছিল প্রায় ২ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার।

আঞ্চলিক জলবায়ু মডেলিংয়ে দেখা যায়, দেশে প্রাক্‌-মৌসুমে কালবৈশাখীসহ বজ্রঝড়ের তীব্রতা বাড়বে, কিন্তু কমবে বছরের অন্যান্য ঋতুতে। গত ৪ এপ্রিল দেশে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় হয়, তাতে কয়েকটি জেলায় একসঙ্গে ১৮ জনের প্রাণহানি ঘটে। এমন প্রপঞ্চের সংঘটন জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়বে ও তীব্রতর হবে। গত দুই দশকে বজ্রপাত নতুন একটা দুর্যোগ হিসেবে বাংলাদেশে আবির্ভূত হয়েছে। ফলে সরকার ২০১৬ সালে একে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে। গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৩-২০ সাল পর্যন্ত দেশে বজ্রপাতে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৮৭৮ এবং তাঁদের বেশির ভাগই (৭২ শতাংশ) কৃষক। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বজ্রপাত–সম্পর্কিত গবেষণা বলছে, বিশ্বের সর্বত্র বজ্রপাত সমহারে বাড়ছে না, তবে আঞ্চলিক ক্ষেত্রে বজ্রপাতের ওপর উষ্ণায়নের প্রভাব সুস্পষ্ট। অর্থাৎ, বিশ্বব্যাপী না বাড়লেও দক্ষিণ এশিয়া বা ক্রান্তীয় অঞ্চলের অনেক দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের হতাহতের সংখ্যা। তাই মৃত্যু কমাতে গণসচেতনতার পাশাপাশি অতিরিক্ত বজ্রপাতপ্রবণ এলাকাগুলোর মানচিত্রায়ণ অত্যাবশ্যক।

বিশ্বে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের পরিবর্তে বাড়ছে। ফলে হিমালয়ের হিমবাহ ও গ্রিনল্যান্ডের বরফের আচ্ছাদন দ্রুতলয়ে কমছে। হিমবাহের বরফ গলার তীব্রতা বাড়লে আমাদের মতো নিম্নভূমির ভূখণ্ডের জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র সমতল বৃদ্ধি, অনাবৃষ্টি ও দাবদাহ আরও বাড়বে। ফলে উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকায় লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে পরিবেশ-প্রতিবেশ বিপদাপন্ন হয়ে উঠবে, যার কিছু কিছু এরই মধ্যে দৃশ্যমান। অন্যদিকে সুপেয় পানির অভাবে ডায়রিয়া, কলেরা ও অন্যান্য রোগের প্রকোপ তীব্রতর হবে, বাড়বে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এমন অবস্থা পরিলক্ষিত হয় ২০২১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে। উপকূলে, বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার এলাকা লোনা পানিতে আচ্ছাদিত হয়ে পড়লে ডায়রিয়ার প্রকোপ তীব্র হয়ে পড়ে, কয়েকজনের মৃত্যুও হয়। মানে দাঁড়াচ্ছে, অনিয়মিত ও স্বল্প বৃষ্টিপাত আমাদের কৃষির জন্য যে শুধু ক্ষতিকর তা নয়, জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও নিয়মিত ও পরিমিত বৃষ্টিপাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। যেহেতু নদীভাঙন, উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা বৃদ্ধি বা অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে দেশে সামনের দিনগুলোতে গ্রাম থেকে শহরে অভিগমনের হার বাড়বে, সেহেতু বড় বড় শহরের পাশাপাশি মাঝারি শহরগুলোতে জনসংখ্যার চাপ বাড়বে, ভেঙে পড়তে পারে প্রচলিত সমাজব্যবস্থা। এতে সামাজিক অস্থিরতা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে গবেষণায় জানা যায়।

বিশ্বব্যাপী পরিবেশ অবক্ষয়ের নতুন একটি উপাদান হচ্ছে নগরীয় আকার ও শহরের জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি। যদিও নগরায়ণকে অনেকেই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন বলে থাকেন, কিন্তু এর নেতিবাচক প্রভাবও কম নয়। যেমন কৃষিজমির হ্রাস, জীববৈচিত্র্যের ধ্বংস দ্রুত নগরায়ণের ফসল। বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও নগর জনসংখ্যার তুলনায় শহরের সংখ্যা ও প্রসারণের হার অত্যধিক। তবে বড় শহর, যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম বা খুলনার বার্ষিক পারিসরিক বৃদ্ধির হার গড়ে ২০০ শতাংশের বেশি বলে গবেষণায় জানা যায়। ফলে গত ২০ বছরে বেড়েছে নগরের উষ্ণতা, নগরগুলোর মাইক্রোক্লাইমেট দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত জনঘনত্ব, জলবায়ু-অসংবেদনশীল বিল্ডিং উপাদান, চরম মনুষ্য কর্মকাণ্ড এবং সবুজের অস্বাভাবিক অভাব দেশের নগরগুলোর উষ্ণতা বৃদ্ধির মূল কারণ বলে গবেষণায় দেখা যায়। বৃহৎ পরিসরে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দুর্বল হয়ে পড়া এবং ভারত মহাসাগরের উপরিস্থ পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও দেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলছে। তাই শহরের বাসিন্দাদের বিদ্যমান বহুবিধ সমস্যার সঙ্গে অতিমাত্রায় উষ্ণতা দৈনন্দিন জীবনে বাড়াচ্ছে অস্বস্তি, বাড়াচ্ছে শক্তিসম্পদের ওপর চাপ, দেখা দিচ্ছে নিত্যনতুন রোগবালাই। যেমন ২০০০ সালের আগে ঢাকার, তথা দেশের মানুষ ডেঙ্গুর সঙ্গে মোটেই পরিচিত ছিল না। কিন্তু এখন ডেঙ্গু একটা নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা নগরীয় উষ্ণায়নের সঙ্গে পরোক্ষভাবে জড়িত। চিকুনগুনিয়াও নতুন এক অভিজ্ঞতা আমাদের দেশের।

default-image

যেহেতু অতিরিক্ত পানি ব্যবহার শীতলতা বজায় রাখতে দরকার, অদূর ভবিষ্যতে বাড়বে পানিসম্পদের ওপর চাপ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৭ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৯ সালে দেশে নগরের জনসংখ্যা হবে ৮১ দশমিক ৪ মিলিয়ন, মানে বাংলাদেশ হবে অন্যতম নগররাষ্ট্র। তাই নগরের উষ্ণতাকে আমলে না নিলে দেশের বড় নগরগুলোর সমস্যা দিন দিন জটিল হবে, হারাতে পারে বাসযোগ্যতা।

উপসংহারে বলা যায়, গত ৫০ বছরে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বাংলাদেশে গভীরভাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদিও ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি মোতাবেক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে তাপমাত্রা রাখার ব্যাপারে চুক্তি হয়েছে। তবু গবেষণা বলছে, ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা আরও নিচে রাখা না গেলে আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের (যেমন তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও বাতাসের গতি) অনিয়মিতকরণ ও অস্বাভাবিকতার কারণে বাংলাদেশকে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে।

জনসংখ্যার ঘনত্ব ও দারিদ্র্যের কারণে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে আর সক্ষমতার অভাব অবস্থাকে করবে ভীষণ নাজুক। যেহেতু প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় ঐতিহাসিকভাবে আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ, সেহেতু জননীতিমালাগুলো প্রধানত তৈরি হয়েছে এ দুটি দুর্যোগকে কেন্দ্র করে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ও সক্ষমতা তৈরিতে প্রয়োজন এ বিষয়ে আরও বিস্তর গবেষণা, সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্ষতি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা। আর তাই কার্যকর ও ফলপ্রসূ পথনকশার বিকল্প অন্য কী হতে পারে?

লেখক: শিক্ষক, কার্টিল বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া

ফিচার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন