সুপারহিরোর জগতে বিজ্ঞানের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা!
ডিসি কিংবা মার্ভেল কমিকে বুঁদ হওয়া মানুষদের কি ঠিক বৈজ্ঞানিক বলা যায়? সচরাচর ক্লাসের বিরক্তিমাখা পড়ালেখার ফাঁকে সেই সুপারম্যান-স্পাইডারম্যানের অসম্ভব কাল্পনিক দুনিয়ায় টইটই করে ঘুরে আসতে গিয়ে মা-বাবা কিংবা শ্রদ্ধেয় প্রফেসরের হাতে উরাধুরা থাপ্পড়-ঘুষি খেয়ে খেয়ে মনে হয়, কোনো দিনও সেসব স্বপ্ন-রঙিন কমিকে অরুচি হয়নি, হবেও না বোধ হয়। মাঝেমধ্যে অ্যাডভেঞ্চারের দুর্বার নেশায় মত্ত হয়ে সেসব অতিমানব হয়ে নিজেদের সাদামাটা জীবনের সব সমস্যাকে ম্যাজিকের মতো ভ্যানিশ করে দিতে ইচ্ছা জাগে। কিন্তু তুমি যে তোমার স্বভাবসুলভ কঠোর, তিতকুটে মনোভাবের স্টেরিওটাইপ ভেঙে চুরমার করে এভাবে কমিকের দুনিয়ায় এক কৌতূহলী সঙ্গী হবে, তা-ও আবার সেখানে বিজ্ঞানের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে, ভাবা যায়? তুমি আবারও অকাট্যভাবে প্রমাণ করলে—Everything is indeed science!
এবার শুধু আমাদের মতো বিজ্ঞানপ্রেমীদের নয়, কমিকপ্রেমীদের হৃদয়ও জয় করে ফেলেছ, হয়তো ওরাও তোমার হাত ধরে বিজ্ঞানের অমৃত সুধা পান করতে পারবে (বিজ্ঞানপ্রেমী কমিকপড়ুয়াদের কথা অবশ্য আলাদা)। সেই সঙ্গে কোয়ান্টাম জেনো ইফেক্ট নিয়ে সালতামামি, ইথার নিয়ে ধুন্ধুমার বিপ্লবকাহিনি, ‘ম্যাপ’ নিয়ে মাপামাপি, সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে হাতিসংকট, বিদ্যুৎ-বজ্রনামাসহ নানা স্বাদের আয়োজনে তুমি একদম সুপারম্যানের মতো দুর্দান্ত, অপ্রতিরোধ্য!
এবার কিন্তু...ইয়ে মানে, একটু যদি অ্যানিমে নিয়ে কিছু করতে (মানে বিজ্ঞানবিষয়ক অ্যানিমে নিয়ে মূলত স্টেইন্স; গেট, ড. স্টোন, দ্য প্রমিসড নেভারল্যান্ড ইত্যাদি), তাহলে খুব খুশি হতাম।
বরাবরের মতো নতুন সংখ্যার অপেক্ষায় থাকলাম। ভালো থেকো। বিজ্ঞানচিন্তার জয় হোক।
তূর্ণা দাশ, অষ্টম শ্রেণি, পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পাবনা