বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাসা আরও জানায়, এখন থেকে দুই সপ্তাহ পর জেমস ওয়েব L2 এর কাছে পৌঁছালে আরও একটু ছোটখাটো গতিপথ সংশোধন করা হবে। এরপর শুরু হবে টেলিস্কোপের ঘোরা। জ্বালানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘুরতে থাকবে টেলিস্কোপটি। জ্বালানী শেষ হতেও প্রায় ১০ বছর সময় নেবে। এখন থেকে ছয় মাস পরে টেলিস্কোপটা থেকে প্রথম ছবি পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন নাসা।

এর আগে গত ২৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ফ্রেঞ্চ গায়ানার ইউরোপিয়ান কওরু স্পেসপোর্ট থেকে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। টেলিস্কোপটি বহন করে নিয়ে যায় একটা আরিয়ান রকেট। মহাকাশে যৌথভাবে এ টেলিস্কোপটি পাঠিয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ইসা) এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি (সিএসএ)।

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের পেছনে খরচ হয়েছে প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ টেলিস্কোপের ওজন প্রায় ৬,২০০ কেজি আর আয়নার আকার ৬.৫ মিটার। আগামী ১০ বছর টেলিস্কোপটি কার্যক্ষম থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটিই হবে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। হাবল টেলিস্কোপের চেয়েও এটি ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। ২০৩১ সাল পর্যন্ত সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রচুর তথ্য দেবে পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের। খুঁজে বেড়াবে মহাবিশ্বের প্রথম গ্যালাক্সির আলো।

প্রাইমারী মিরর উন্মোচণ দেখা যাবে নাসা লাইভ-এর ভিডিওতে। ভিডিও লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=tlGTem8vkB0

মহাকাশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন