ডায়াবেটিস

অলংকরণ: রাকিব

কেউবা বলে ‘বহুমূত্র’ কেউবা ‘মধুমেহ’

শুদ্ধ ভেবে ‘ডায়াবেটিকস’ বলে কেহ কেহ।

রোগটা হলো ‘ডায়াবেটিস’ চিকিৎসাবিজ্ঞানে

শুদ্ধ এ নাম সবাই না হোক, অনেকেই জানে।

ইনসুলিনের ঘাটতি হলে জটিল এ রোগ হয়

ইনসুলিনটা তৈরি করে দেহের অগ্ন্যাশয়।

ইনসুলিন কী? একপ্রকারের জরুরি হরমোন

রক্তে থাকা শর্করা সে করে নিয়ন্ত্রণ।

শর্করাটা বাংলা শব্দ, ইংলিশে গ্লুকোজ

খাবার থেকে এটা সবার দেহে আসে রোজ।

নিয়ন্ত্রণে না যদি রয় গ্লুকোজের এই মাত্রা

জটিলতার দিকে তখন শরীর করে যাত্রা।

থাকলে ত্রুটি ইনসুলিনের সঠিক ব্যবহারে

পরিণামে ডায়াবেটিস তারও হতে পারে।

ইনসুলিনের কাজটা হলো দেহরীতি মেনে

রক্তের বাড়তি শর্করাটা বাহির করা টেনে—

এটা করেই অলস হয়ে থাকে না তো বসে

শর্করাটা পৌঁছে দেয় সে দেহের কোষে কোষে।

ডায়াবেটিস প্রধানত দুই প্রকারের হয়

একটি নির্ভর ইনসুলিনে, অন্যটি তা নয়।

ডায়াবেটিস রোগের তবে উপসর্গ কী কী?

জেনে রাখা খুব জরুরি; এসো—শুনি, শিখি—

দুর্বলতা, বেশি বেশি ক্ষুধা ও পিপাসা

ছোট বাথরুম অভিমুখে অধিক যাওয়া-আসা।

দেখবে চোখে অন্ধকারও, মুখ শুকিয়ে যাবে

অল্প দিনে রোগীর ওজন অনেকটা হ্রাস পাবে।

‘কিটোএসিডোসিস’ এবং ‘হাইপোগ্লাইসেমিয়া’

এ রোগের দুই জটিলতা—রাখো তা জানিয়া।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে যা যা করণীয়

জেনে রাখো—সুযোগমতো অন্যকে জানিয়ো

পরিমিত খাওয়াদাওয়া, ওজন নিয়ন্ত্রণ

এবং সাথে শরীরচর্চা খুবই প্রয়োজন।

*লেখাটি ২০২২ সালে বিজ্ঞানচিন্তায় ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত

আরও পড়ুন