হঠাৎ হাঁচি এলে কী করবেন

ঠান্ডা লাগলে হাঁচি আসে। কারণ, নাকের ভেতর তরল সর্দি সুড়সুড়ি দেয়। তখন মস্তিষ্কের একটি বিশেষ কেন্দ্রে সংকেত যায়। তখন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির প্রতিকার হিসেবে ওই বিশেষ কেন্দ্র থেকে হাঁচির সংকেত আসে, যেন প্রচণ্ড বেগে বাতাসের সঙ্গে সুড়সুড়ি দেওয়ার বস্তু বাইরে বের করে দেওয়া হয়। একই কারণে বাইরে ধূলিকণা বা ফুলের রেণু নাকের ভেতর ঢুকে পড়লে হাঁচি আসে। গুরুগম্ভীর পরিবেশে হঠাৎ হাঁচি এলে মুশকিল। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত পর্বে অথবা চাকরির জন্য মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষা দিচ্ছেন। হঠাৎ ভীষণ হাঁচি পেল। এখন কী করবেন! পরীক্ষাটা মাটি হবে? না, এর খুব ভালো টোটকা চিকিৎসা আছে।

বাইরে ধূলিকণা বা ফুলের রেণু নাকের ভেতর ঢুকে পড়লে হাঁচি আসে
ছবি: উইকিপিডিয়া

সবচেয়ে সহজ ও ধন্বন্তরি চিকিৎসা হলো, মুখ মোছার ভঙ্গি করে আপনার হাতের তর্জনী দিয়ে নাকের ডগায় সুড়সুড়ি দিন। খুব হালকাভাবে আঙুল বোলালেই চলবে। ব্যস, হাঁচি হাওয়া। পরীক্ষক বুঝতেই পারবেন না যে আপনি একটা অস্বস্তির মধ্যে পড়েছেন। তবে কাজটা খুব দ্রুত কিন্তু স্বাভাবিক ভঙ্গিতে করতে হবে। এবং হাঁচির অনুভূতির শুরুতেই আঙুল চলে যাবে নাকের কাছে। একটু দেরি হলেই সর্বনাশ।

আরও পড়ুন
মুখ মোছার ভঙ্গি করে আপনার হাতের তর্জনী দিয়ে নাকের ডগায় সুড়সুড়ি দিন। খুব হালকাভাবে আঙুল বোলালেই চলবে। ব্যস, হাঁচি হাওয়া। পরীক্ষক বুঝতেই পারবেন না যে আপনি অস্বস্তির মধ্যে পরেছেন।

নাকের ডগা খুব অনুভূতিপ্রবণ। সেখানে আঙুলের হালকা স্পর্শ নাকের ভেতরের অস্থিসন্ধির সঙ্গে যুক্ত শুভ্র তন্ত্রময় সংবেদনশীল উপাস্থিকে হাঁচির প্রতিকূল সংকেত দেয়। ফলে হাঁচি আর আসে না। পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। আরও কিছু উপায় আছে।

আঙুল দিয়ে ঠোঁট চেপে ওপরে নাকের দিকে ঠেলে দিন। এটা হাঁচির অনুভূতি থামাতে সাহায্য করবে
ছবি: উইকিহাউ

হাঁচির আভাস পেলেই মুখের ভেতর জিহ্বা দিয়ে তালুতে সুড়সুড়ি দিন। হাঁচি থেমে যাবে। অথবা আঙুল দিয়ে দুই ভুরুর মাঝখানে চাপ দিন। এতেও উপকার পাওয়া যাবে। অন্য একটি উপায় হলো আঙুল দিয়ে ঠোঁট চেপে ওপরে নাকের দিকে ঠেলে দিন। এটা হাঁচির অনুভূতি থামাতে সাহায্য করবে। কানের লতি চেপে ধরলেও কাজ হবে।

আরও পড়ুন