রাজশাহীতে জমজমাট বিজ্ঞান উৎসব

শীতের সকাল। কুয়াশার চাদর কেটে গিয়ে সূর্য কেবল হাসতে শুরু করেছে। আর ওদিকে রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গণে হাসি মুখে ছুটে বেড়াচ্ছে খুদে বিজ্ঞানীরা।

কলেজের গেট পেরিয়েই প্লেগ্রাউন্ড। উৎসবমুখর পরিবেশে এই প্রাঙ্গনে খুদে বিজ্ঞানীরা হাসছে, গল্প করছে। আর স্পিকারে বাজছে বিজ্ঞানচিন্তার থিম সং। এই গান খুদে বিজ্ঞানীদের হাতছানি দিয়ে বলছে অজানাকে জানার কথা, সময়কে থামিয়ে হারিয়ে যাওয়ার কথা অচেনা গ্রহে, আকাশের ওপারে।

সব কোলাহল স্তিমিত হয়ে এল উপস্থাপকের আহ্বানে। সবাইকে প্রাঙ্গনে সারি বেঁধে দাঁড়াতে অনুরোধ করছেন। উপস্থাপক তথাপি আজাদ সবাইকে স্বাগতম জানালেন। স্পিকারে বেজে উঠল জাতীয় সঙ্গীত। এর মাধ্যমে শুরু হলো বিকাশ-বিজ্ঞানচিন্তা বিজ্ঞান উৎসবের রাজশাহী আঞ্চলিক পর্ব। এ সময় জাতীয় পতাকা ও উৎসবের পতাকা উত্তোলন করেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল খালেক এবং উৎসবের পতাকা উত্তোলন করেন বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির ও প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার আবুল কালাম আজাদ।

কনকনে শীতের তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীরা ছুটে এসেছে রাজশাহী কলেজ প্রাঙ্গনে। তারা সবাই বিজ্ঞান উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। রাজশাহীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা এসব শিক্ষার্থীদের চোখে মুখে উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই স্কুল ড্রেস পরে এসেছে। কয়েকজন আবার এসেছে বাহারি রঙের পোশাক পরে। ছোট্ট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এসেছে তাদের অভিভাবকরা। দলবেঁধে কেউ নিয়ে এসেছে নিজের তৈরি রোবট, কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কৃষিযন্ত্র, ভূমিকম্পে জীবন বাঁচানো কিংবা গ্যাস লিক শনাক্ত করার মতো দারুণ সব প্রজেক্ট। সবাই এসেছে বিজ্ঞান উৎসবের রাজশাহী পর্বে নিজের সৃষ্টিশীলতার স্বাক্ষর রাখতে। এ ছাড়াও জমজমাট এ উৎসবে উপস্থিত রয়েছেন রাজশাহীর বরেণ্য বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও গুনীজন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন অতিথিরা
ছবি: শহীদুল ইসলাম

উদ্বোধনী পর্বে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. শাহেদ জামান, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল খালেক, প্রথম আলোর স্টাফ রিপোর্টার আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী গণিত ক্লাবের সভাপতি মাসুদ রানা এবং বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার।

পতাকা উত্তোলন শেষে স্বাগত বক্তব্যে রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল খালেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'বিজ্ঞানমনস্ক একটি তরুণ সমাজ গঠন করা আমাদের দায়িত্ব। বাংলাদেশ সরকারও সেই কাজটি করছে। এর বাইরেও অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করছে। বিজ্ঞানবিষয়ক মাসিক ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তা তার মধ্যে অন্যতম। বিকাশ ও বিজ্ঞানচিন্তার সমন্বিত এই পদক্ষেপ দেশের বিজ্ঞান ভাবনাকে আরও জাগ্রত করবে। এরকম একটি উদ্যোগের সঙ্গে থাকার জন্য শিক্ষার্থী, তাদের বাবা-মা ও আয়োজকদের ধন্যবাদ।'

প্রথম আলোর নিজস্ব সংবাদদাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের। এখানে ছেলেমেয়ে এবং পাশ ফেল বলতে কোনো কথা নেই। সবার অগ্রাধিকার আছে বিজ্ঞানে। বিজ্ঞান জানতে হবে, বুঝতে হবে। অজানাকে জয় করতে হবে। তাহলেই একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি তৈরি হবে। সবশেষে এই ঐতিহাসিক সুন্দর কলেজটি আজকে আমাদের ব্যবহার করতে দেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে ধন্যবাদ।'

বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির বলেন, 'বিজয়ের এই মাসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের বাচ্চারা যেন বিজ্ঞানমনস্ক হয়, দেশ ও বিদেশে বিজ্ঞানের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যেন সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠে সেই উদ্দেশ্যেই বিকাশ এবং বিজ্ঞানচিন্তা মিলে এই উৎসবের আয়োজন করা। আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ আয়োজনে দেশের কিছুটা হলেও বিজ্ঞানের অগ্রগতি হবে বলে আশাকরি।'

কুইজে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ
আরও পড়ুন
শিক্ষার্থীদের দারুণ সব আইডিয়া দেখে সেরা ১০ পুরস্কার থাকলে, বিশেষ বিবেচনায় আরও দুটিসহ মোট ১২টি প্রজেক্টকে পুরস্কৃত করা হয়।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন শাহেদ জামান বলেন, 'আমার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ সরকার যে গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে, বিজ্ঞান সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আমাদের এখনো অনেক অজানা। সেগুলোকে জানতে হবে। বিজ্ঞানচিন্তা তোমাদের সেই জানানোর কাজটিই করে যাচ্ছে। তোমরা বিজ্ঞানমনস্ক হও, বাংলাদেশকে একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতিতে পরিণত করো, সেই কামনা করি।

এরপর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন অতিথিরা। উদ্বোধন শেষে সকাল ১০টায় শুরু হয় কুইজ প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে চলে খুদে বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনী।

কুইজ প্রতিযোগিতার পর অডিটোরিয়ামে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয় জাদুর মাধ্যমে। মঞ্চে উপস্থিত হন জাদুশিল্পী রাজীব বসাক। এ জাদু রহস্যময় ইন্দ্রজাল নয়। বরং দক্ষতা আর বিজ্ঞানের এক শিল্প। প্রতিটি জাদুর পর তাই পেছনের বিজ্ঞানটাও ব্যখ্যা করেন তিনি। মজাদার উপস্থাপনায় হাসি আনন্দ আর বিস্ময়ে মাতিয়ে রাখেন সবাইকে। এরপর মঞ্চ মাতায় নৃত্যশিল্পীরা। "ভালো কইরা বাজাওরে দোতারা, সুন্দরী কমলা নাচে" গানের সুরে নৃত্য পরিবেশন করেন সুমাইয়া। তারপর সপ্তীক দাস নৃত্যের তালে তালে শোনান বাঙালির এগিয়ে যাওয়ার কথা, বিপ্লবের কথা। নৃত্যের রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় প্রশ্নত্তোর পর্ব।

'ভূত কেমন তা আমরা না জানলেও ভূতকে ভয় পাই কেন?' 'মানুষের চুল পাকলে সাদা হয় কেন?' 'আলোর ভর থাকলেও কেন নেই ভরবেগ?' এমন নানা জিজ্ঞাসা শিক্ষার্থীদের।

ধৈর্য ধরে সুন্দরভাবে এসব প্রশ্নের উত্তর দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. রবিউল হক, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জহিরুল ইসলাম এবং বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির। পুরো পর্বটি পরিচালনা করেন বিজ্ঞানচিন্তার সহসম্পাদক উচ্ছ্বাস তৌসিফ।

ওদিকে ততক্ষণে প্রজেক্ট পর্বের বিচারকাজও শেষ। শিক্ষার্থীদের দারুণ সব আইডিয়া দেখে সেরা ১০ পুরস্কার থাকলে, বিশেষ বিবেচনায় আরও দুটিসহ মোট ১২টি প্রজেক্টকে পুরস্কৃত করা হয়।

প্রশ্ন-উত্তর, ফলাফল ঘোষণা ও পুরষ্কার বিতরণী পর্ব সঞ্চালনা করেন বিজ্ঞানচিন্তার সহসম্পাদক উচ্ছ্বাস তৌসিফ।

বিজ্ঞান প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত এক খুদে বিজ্ঞানী
ছবি: শহীদুল ইসলাম

কুইজ প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে প্রথম ও সেরাদের সেরা হয়েছে রাজশাহী ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শাফীন সালেহ আহমেদ। দ্বিতীয় হয়েছে সরকারী প্রমথনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানজীম নুবা। একই শ্রেণীর হাজী মুহম্মদ মু্হসীন সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের মো: তাসনিম ফেরদৌস।

কুইজ প্রতিযোগিতায় নিম্নমাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে প্রথম ও সেরাদের সেরা হয়েছে সরকারী প্রমথনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আতিকা বিনতে রেজা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে একই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী উম্মে হামীমা হিবা ও ফাহমিদা আক্তার।

প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে প্রথম ও সেরাদের স্থান অর্জন করেছে নাটোর সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহাদি বিন ফেরদৌস। গ্যাস লিক সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনা প্রতিকারে মাহাদি এই প্রজেক্টটি তৈরি করেছে। শুধু প্রজেক্ট তৈরি করাই নয়, এর পেছনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিকগুলোও সে ব্যাখ্যা করেছে দারুণভাবে।

দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের নবম শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ হিল কাফি, মুশফিক জাহান আবির ও মো. তাহসানুল আরাফ হাবীব। আর তৃতীয় হয়েছে চাঁপাই নবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনীম আলম।

প্রজেক্ট ঘুরে দেখছেন অবিভাবকেরা
ছবি: শহীদুল ইসলাম

ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, গণিত বিভাগের অধ্যাপক মো. রবিউল হক, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জহিরুল ইসলাম, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল খালেক, প্রথম আলোর রাজশাহী প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির, সহাকারী ব্যবস্থাপক শাকিল মাহবুব, ম্যাথ ক্লাবের সভাপতি মাসুদ রানা, এবং বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার।

পুরস্কার বিতরণীর মাঝেই রাজশালী কলেজের অধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল খালেকের হাতে ভেন্যু স্মারক তুলে দেন প্রথম আলোর নিজস্ব সংবাদদাতা আবুল কালাম আজাদ, বিজ্ঞানচিন্তার নির্বাহী সম্পাদক আবুল বাসার এবং বিকাশের ইভিপি ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ুন কবির।

বেলা ২টায় শেষ হয় অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান আয়োজনে সার্বিক সহায়তা করেন রাজশাহী বন্ধুসভার বন্ধুরা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী তথাপি আজাদ।

আরও পড়ুন

‘বিজ্ঞানে বিকাশ’ স্লোগান সামনে রেখে দেশের সাতটি অঞ্চলে আয়োজিত হচ্ছে আঞ্চলিক বিজ্ঞান উৎসব। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো শুরু হয় বিজ্ঞান উৎসব। স্কুলশিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে যৌথভাবে এ উৎসবের আয়োজন করছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ ও বিজ্ঞানবিষয়ক মাসিক ম্যাগাজিন বিজ্ঞানচিন্তা।

ইতিমধ্যেই ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বিজ্ঞান উৎসবের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর একে একে অনুষ্ঠিত হবে রংপুর, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে। সবশেষে জাতীয় পর্বের মাধ্যমে শেষ হবে এ আয়োজন। ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে আঞ্চলিক উৎসবের বিজয়ীরা।

বিজ্ঞান উৎসবে স্কুলের ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রজেক্ট প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। প্রজেক্ট প্রদর্শনীতে ৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা একটি ক্যাটাগরিতে অংশ নেবে। আর কুইজ প্রতিযোগিতায় থাকবে দুটি ক্যাটাগরি। নিম্নমাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে অংশ নেবে ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা, আর মাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে অংশ নেবে ৯ম-১০ম শ্রেণি ও চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। শুধু নিবন্ধনকারী শিক্ষার্থীরা এই দুই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।

বিজ্ঞান উৎসবের যেকোনো খবর জানতে চোখ রাখুন bigganchinta.com-এ, বিকাশ-বিজ্ঞানচিন্তা বিজ্ঞান উৎসব ও বিজ্ঞানচিন্তার ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে, প্রথম আলোয় এবং বিজ্ঞানচিন্তার প্রিন্ট সংস্করণে।