সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ আগস্ট, সোমবার আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু সোমবার আবহাওয়া ঠিকঠাক না থাকলে ২ ও ৫ সেপ্টেম্বর আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণের চেষ্টা করা হবে।

নাসার নেতৃত্বে পৃথিবীর ২১টি দেশের অর্থায়ন ও সহযোগিতায় পরিচালিত হবে এই অভিযান। আর্টেমিসের মূল লক্ষ্য, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, অর্থনৈতিক ক্ষেত্র তৈরি করা এবং নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করা। আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে পৃথিবী, চাঁদ এবং আমাদের সৌরজগতের উৎপত্তি ও ইতিহাস আরও নতুন তথ্য জানা যাবে।

২০২৪ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে আর্টেমিস ২। এই মিশনের স্পেসক্রাফটে থাকবে নভোচারী। তাঁরা চাঁদের কক্ষপথে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে। আর্টেমিস ৩ মিশনে মানুষ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে। এই মিশনেই প্রথম কোনো নারী চাঁদে পা রাখবেন। ২০২৫ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে আর্টেমিস ৩। ইতিমধ্যে ২০২৫ সালে চাঁদে অবতরণের সম্ভাব্য ১৩টি অঞ্চল শনাক্ত করেছে নাসা। তবে আর্টেমিস ১-এর সফলতার ওপর নির্ভর করছে আর্টেমিস ২ ও ৩-এর ভাগ্য।

লেখক: শিক্ষার্থী, গণিত বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা

সূত্র: স্পেস ডট কম

ফিচার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন