আগস্ট মাসে বিজ্ঞানচিন্তায় সর্বোচ্চ পঠিত ১০টি লেখা লিংকসহ আছে এখানে। একনজরে সেগুলো দেখে নিন...
বাজারে লইট্যা মাছ চিনতে কারও ভুল হয় না। নরম, প্রায় জেলির মতো শরীর, চোখ দুটো অদ্ভুত রকম ছোট ও মুখটা যেন শরীরের মাপে মানায়ই না, এত বড়! রান্নাঘরে এই মাছের কদর অনেক, সস্তা বলে হোক বা স্বাদের জন্যই হোক। কিন্তু সমুদ্রের নিচে গেলে এই একই মাছের দেখা মেলে একেবারে অন্য চরিত্রে। সেখানে সে আস্ত এক শিকারি, আর শিকার ধরার ভঙ্গিটা এমন যে দেখলে অবাকই লাগে। শরীর প্রায় খাড়া, মাথা ওপরের দিকে, যেন পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে কেউ!
সকাল ও রাতে নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করেন প্রায় সবাই। প্রতিদিন অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করা মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম প্রধান উপায়। কিন্তু তারপরও অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। দাঁতের বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যালিটোসিস বা মুখের দুর্গন্ধের পেছনে এমন কিছু কারণ আছে, যা কেবল দাঁত ব্রাশ করে দূর করা সম্ভব নয়। তাহলে এর থেকে মুক্তির উপায় কী?
অবসরে সায়েন্স ফিকশন দেখতে পছন্দ করেন? কল্পরথে চড়ে ডানা মেলতে চান বিজ্ঞানের মজার সব তত্ত্ব এবং ভিন্ন বাস্তবতায়? তাহলে এই মুভিগুলো আপনার জন্য। এর কোনোটিতে ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে চলে যেতে পারেন মহাবিশ্বের দূরপ্রান্তের কোনো গ্রহে, দেখতে পারেন মহাকাশে জীবন বাঁচানোর লড়াই, সময়ের উল্টো দিকে যাত্রা কিংবা ভিন্ন এক মহাজাগতিক সভ্যতা...
বাজার থেকে কিনে এনেছেন জ্যান্ত কই মাছ। ঘণ্টাখানেক পর বঁটি নিয়ে কাটতে বসেছেন, দেখলেন তখনো ও ব্যাটা মরেনি। এমন অভিজ্ঞতা আমাদের মা-বোনদের প্রায়ই হয়। একটা বাংলা প্রবাদেই আছে ‘কই মাছের প্রাণ’, অর্থাৎ যা সহজে মরে না। কিন্তু কেন সহজে মরে না?
আপনার পরিচিত এমন কোনো পরিবার আছে কি, যেখানে সবাই ভাই, কোনো বোন নেই। এমনকি তার বাবারও কোনো বোন নেই! উল্টোটাও হতে পারে। মানে পরিবারের সবাই শুধু মেয়ে, কোনো ছেলে নেই। এমনটা দেখলে আমরা সাধারণত ভাবি, এটা স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার বা কপালের লিখন। অনেকেই না বুঝে এর জন্য মাকে দায়ী করেন। কিন্তু এখানে মায়ের সামান্যতম দোষও নেই। কিন্তু কেন এমন হয়?
গড়ে একটি প্যান্টের পেছনে ৭ থেকে ১০ হাজার লিটার পানি খরচ হয়। কোনো কোনো হিসাবে এই সংখ্যা ১৫ হাজার পর্যন্ত উঠে যায়। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন তিন লিটার পানি পান করেন, তাহলে একটি প্যান্ট তৈরির পানি দিয়ে তিনি প্রায় ৯ বছর চালিয়ে দিতে পারবেন। সংখ্যাটা অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই বাস্তবতা। প্রশ্ন হলো, এত পানি যায় কোথায়?
অনেকে ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে শিহরে ওঠেন। হয়তো কেউ তাঁকে মারতে আসছে আর তিনি ভয়ে চিৎকার করছেন। কিন্তু শব্দ বেরোচ্ছে না। কেন এমন হয়?
বেশিরভাগ মানুষের রাতে সাত ঘণ্টার কম ঘুম হলে পরের দিনটা কেমন আলসেমি আর ক্লান্তি নিয়ে শুরু হয়। মনে হয় আরেকটু ঘুমাতে পারলে ভালো হতো। অথচ কিছু মানুষ মাত্র ছয় ঘণ্টা বা তারচেয়ে কম ঘুমিয়েও কোনো ক্লান্তি অনুভব করেন না। তাঁরা পরের দিন বেশ সতেজ ও কর্মঠ হয়ে কাজ করেন। অল্প ঘুমিয়েও সতেজ থাকার রহস্যটা আসলে কী?
শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি হওয়ার পর শরীর ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পুরোপুরি বদলে গেলেও এরা কি আগের অবস্থার স্মৃতি মনে রাখতে পারে? বিজ্ঞান কী বলে?
চিতল মাছের শরীরের গঠন কি সত্যিই কোটি কোটি বছর ধরে একই রকম রয়ে গেছে? ডাইনোসরদের আমলে এটি যেমন ছিল, আজও কি তা প্রায় তেমনই আছে?