জুন মাসে বিজ্ঞানচিন্তায় সর্বোচ্চ পঠিত ১০টি লেখা লিংকসহ আছে এখানে। একনজরে সেগুলো দেখে নিন...
অবসরে সায়েন্স ফিকশন দেখতে পছন্দ করেন? কল্পরথে চড়ে ডানা মেলতে চান বিজ্ঞানের মজার সব তত্ত্ব এবং ভিন্ন বাস্তবতায়? তাহলে এই মুভিগুলো আপনার জন্য। এর কোনোটিতে ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে চলে যেতে পারেন মহাবিশ্বের দূরপ্রান্তের কোনো গ্রহে, দেখতে পারেন মহাকাশে জীবন বাঁচানোর লড়াই, সময়ের উল্টো দিকে যাত্রা কিংবা ভিন্ন এক মহাজাগতিক সভ্যতা...
পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে গেলে অনেকেরই বুক ধড়ফড়, অল্পতে হাঁপিয়ে ওঠেন কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। কারণ, সমতলের তুলনায় পাহাড়ি অঞ্চলের বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ থাকে বেশ কম। সাধারণ মানুষের যেখানে কয়েক দিন থাকতেই দম আটকে আসে, সেখানে বছরের পর বছর ধরে মানুষ কীভাবে এত উঁচুতে বেঁচে আছেন? কেমন তাদের দৈনন্দিন জীবন?
হাসনাহেনা কিংবা কামিনীর মতো রাতে ফোটা ফুলের গন্ধ অতি কড়া। এই কড়া গন্ধে মানুষের ঘুম না-ই আসতে পারে, মানুষ ফুলের গন্ধে উতলা হতেই পারে; তাই বলে সাপেরাও কি ফুলের গন্ধে মাতাল হয়? আদৌ কি তা হতে পারে? যদি না হয়, তাহলে মানুষ কেন মনে করে যে হাসনাহেনা ফুলের গন্ধে সাপ ছুটে আসে?
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ইউনিভার্সিটির নিউরোসায়েন্টিস্ট এমিলি রোগালস্কি এই সুপারএজারদের নিয়েই একটি যুগান্তকারী গবেষণা চালাচ্ছেন। তাঁর মূল লক্ষ্য, এই মানুষগুলোর মস্তিষ্ক ঠিক কীভাবে এত বছর পরও এতটা সতেজ থাকে, তা খুঁজে বের করা। এমিলি ও তাঁর দল ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছেন, সুপারএজারদের মস্তিষ্কের সেরিব্রাল কর্টেক্স এবং হিপোক্যাম্পাস সাধারণ মানুষদের চেয়ে আকারে বড়। কিন্তু শুধু আকারই কি সব? নাকি এর পেছনে আরও কোনো গভীর রহস্য আছে?
আপনার পরিচিত এমন কোনো পরিবার আছে কি, যেখানে সবাই ভাই, কোনো বোন নেই। এমনকি তার বাবারও কোনো বোন নেই! উল্টোটাও হতে পারে। মানে পরিবারের সবাই শুধু মেয়ে, কোনো ছেলে নেই। এমনটা দেখলে আমরা সাধারণত ভাবি, এটা স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার বা কপালের লিখন। অনেকেই না বুঝে এর জন্য মাকে দায়ী করেন। কিন্তু এখানে মায়ের সামান্যতম দোষও নেই। কিন্তু কেন এমন হয়?
দৈনন্দিন ব্যস্ততার পর অবসরের সময়টুকুতে অনেকে দারুণ কিছু দেখে কাটাতে চান। আর সেই সময়টা যদি কাটানো যায় সায়েন্স ফিকশন সিরিজ দেখে, তবে কেমন হয়? সায়েন্স ফিকশন সিরিজগুলো আমাদের চেনা পৃথিবীর বাইরে সম্পূর্ণ নতুন এক জগতে নিয়ে যায়। ছুটির দিনে ঘরে বসে রোমাঞ্চকর কিছু দেখতে চাইলে সায়েন্স ফিকশনের চেয়ে ভালো বিকল্প আর হতে পারে না। অবসর সময়কে আনন্দময় করতে দেখে নিতে পারেন বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো এমনই দারুণ ৭টি সায়েন্স ফিকশন সিরিজ।
বেশিরভাগ মানুষের রাতে সাত ঘণ্টার কম ঘুম হলে পরের দিনটা কেমন আলসেমি আর ক্লান্তি নিয়ে শুরু হয়। মনে হয় আরেকটু ঘুমাতে পারলে ভালো হতো। অথচ কিছু মানুষ মাত্র ছয় ঘণ্টা বা তারচেয়ে কম ঘুমিয়েও কোনো ক্লান্তি অনুভব করেন না। তাঁরা পরের দিন বেশ সতেজ ও কর্মঠ হয়ে কাজ করেন। অল্প ঘুমিয়েও সতেজ থাকার রহস্যটা আসলে কী?
সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞানবিষয়ক জনপ্রিয় সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট প্রতিবছরের মতো এবারও প্রকাশ করেছে এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা। ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন আমাদের তিন বাংলাদেশি গবেষক।
বিশ্বের বাঘা বাঘা সব গবেষকের ভিড়ে এই অর্জন দেশের বিজ্ঞানপাড়ায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কারা আছেন সাফল্যের এই তালিকায় এবং কী তাঁদের যুগান্তকারী কাজ।
দুজন মানুষের যোগাযোগ হচ্ছে কেবল স্বপ্নে। হয়তো স্বপ্নেই তাঁরা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেছেন। একেক দিন স্বপ্নে একেক রকম অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করছেন তাঁরা। বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা মুভির বড় পর্দায় হয়তো এমন দৃশ্য আপনি দেখেছেন। কিন্তু বাস্তবে কি সত্যিই স্বপ্নে দুজন মানুষের মধ্যে যোগাযোগ হওয়া সম্ভব?
প্রতিবার হাসির শুরু হওয়ার আগে তার ঘাড় এবং বুকের মধ্যে এক ধরনের ‘ভয়ংকর অনুভূতি’ হতো। হাসির সময় তিনি কথা বলতে বা কিছু গিলতে পারতেন না। এমনকি শ্বাস নিতেও কষ্ট হতো। এই সমস্যা প্রতিবার কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হতো। এটি সাধারণত সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরই ঘটত। কিন্তু কেন এমন হলো?