বই নিয়ে এই ১২ তথ্য জানতেন কি

বই পড়লে জ্ঞান কখনোই এক জায়গায় আটকে থাকে নাছবি: দ্য কনভারসেশন

বই পড়ার অভিজ্ঞতা একেকজনের কাছে একেক রকম। আপনি যখন কোনো গল্পের বই পড়েন, তখন হয়তো চোখের সামনে চরিত্রগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে; যেন মনের পর্দায় কোনো মুভি চলছে। আবার অনেকের ক্ষেত্রে এমনটা মোটেও হয় না। ২০১৪ সালে প্রকাশিত হোয়াট উই সি হোয়েন উই রিড বইয়ে লেখক পিটার মেন্ডেলসুন্ড দেখিয়েছেন, যারা বই পড়ার সময় কল্পনা করতে পারে, তাদের পদ্ধতিও একে অপরের চেয়ে একদম আলাদা। কেউ হয়তো সচেতনভাবে চরিত্র ও দৃশ্যগুলো নিজের মতো করে কল্পনা করে নেয়, আবার কারও কারও চোখের সামনে নিজে থেকেই যেন একটা নাটক চলতে থাকে। গল্প পড়ার আসলে হাজারটা উপায় আছে, তবে আমরা সাধারণত নিজের উপায়টাকেই সেরা বলে ধরে নিই!

আমাদের পাঠ্যবই বা পুরোনো প্রবন্ধগুলোতে ইতিহাস নিয়ে এমন অনেক কথা লেখা থাকে, যেগুলো অতিরঞ্জিত বা পুরোপুরি ইউরোপকেন্দ্রিক।

পিটার মেন্ডেলসুন্ডের লেখা হোয়াট উই সি হোয়েন উই রিড বইয়ের প্রচ্ছদ
ছবি: অ্যামাজন ডটইন

যেমন আমরা অনেকেই পড়েছি, জোহানেস গুটেনবার্গ ছাপাখানা আবিষ্কার করেছেন। অথচ সত্যিটা হলো, গুটেনবার্গ ইউরোপে প্রথম হলেও বিশ্বের প্রথম ছাপাখানা আবিষ্কার করেছিলেন চীনের নাগরিক বি শেং। আবার অনেকেই বলেন, আলেকজান্দ্রিয়ার বিখ্যাত লাইব্রেরি পুড়ে যাওয়ার পর প্রাচীন বিশ্বের সমস্ত জ্ঞান চিরতরে হারিয়ে গিয়েছিল। এটি আসলে একটি বিশাল অতিরঞ্জন; জ্ঞান কখনোই এক জায়গায় আটকে ছিল না।

ইতিহাসের সবচেয়ে পুরোনো, সবচেয়ে দামি বা সবচেয়ে জনপ্রিয় বই কোনটি—এর কোনো একটি নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া খুব কঠিন। সংস্কৃতি ও যুগের সঙ্গে এই উত্তরগুলো বদলে যায়। তবু চলুন, বই ও বই পড়া নিয়ে এমন কিছু চমৎকার তথ্য জেনে নিই, যেগুলো হয়তো আপনার অনেক ধারণাই বদলে দেবে!

আরও পড়ুন
গুটেনবার্গ ইউরোপে প্রথম হলেও বিশ্বের প্রথম ছাপাখানা আবিষ্কার করেছিলেন চীনের নাগরিক বি শেং।

১. সর্বকালের সবচেয়ে বেশি বিক্রীত বই ও উপন্যাস

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত বই বাইবেল। ধারণা করা হয়, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি কপি বাইবেল বিক্রি হয়েছে। তবে মঠ বা গির্জায় ব্যবহারের জন্য এমন অনেক সংস্করণ ছাপা হয়েছিল, যেগুলো বিক্রির জন্য ছিল না। তাই এর আসল সংখ্যা বের করা কঠিন। আর যদি উপন্যাসের কথা বলেন, তবে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত উপন্যাস স্প্যানিশ লেখক মিগেল দে সার্ভান্তেসের ডন কিহোতে । ১৬০৫ এবং ১৬১৫ সালে দুই খণ্ডে প্রকাশিত এই উপন্যাসের গল্পটি এমন এক মানুষকে নিয়ে, যে অতিরিক্ত বীরগাথা পড়ে নিজেই নিজেকে নাইট বা যোদ্ধা ভাবতে শুরু করে! এর প্রায় ৫০ কোটি কপি বিক্রি হয়েছে।

স্প্যানিশ লেখক মিগেল দে সার্ভান্তেসের লেখা বই ডন কিহোতে
ছবি: অ্যামাজন ডটইন

২. বিশ্বের প্রথম উপন্যাস

উপন্যাস বলতে আমরা যা বুঝি, সে হিসেবে জাপানের রাজদরবারের সদস্য মুরাসাকি শিকিবুর লেখা দ্য টেল অব গেনজিকে (জাপানি ভাষায় গেনজি মোনোগাতারি) অনেকেই বিশ্বের প্রথম উপন্যাস মনে করেন। ১০২১ খ্রিষ্টাব্দের আগে লেখা এই বিশাল বইটিতে তৎকালীন জাপানি রাজপরিবারের জীবনযাপন ফুটে উঠেছে। তবে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, প্রথম শতাব্দীর প্রাচীন গ্রিসে লেখা ক্যালির্হো (Callirhoe) নামে একটি রোমান্টিক অভিযানমূলক গল্প রয়েছে। এটি অনেক বড় ও কাল্পনিক গদ্য হওয়ায়, এই গল্পটিও প্রথম উপন্যাসের দাবিদার হতে পারে।

আরও পড়ুন
১০২১ খ্রিষ্টাব্দের আগে জাপানের রাজদরবারের সদস্য মুরাসাকি শিকিবুর লেখা দ্য টেল অব গেনজি বইটিতে তৎকালীন জাপানি রাজপরিবারের জীবনযাপন ফুটে উঠেছে।

৩. ইতিহাসের প্রথম পরিচিত লেখক

লেখকেরা যে নিজের লেখার নিচে নাম স্বাক্ষর করবেন, প্রাচীনকালে এই চলই ছিল না! ২৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) এক রাজকন্যা ও প্রধান পুরোহিত তাঁর লেখা মন্দিরের স্তবগানে নিজের স্বাক্ষর করেছিলেন। তাঁর নাম ছিল এনহেদুয়ান্না। তিনি ছিলেন চন্দ্রদেবতা নান্নার মন্দিরের প্রধান। তিনিই ইতিহাসের প্রাচীনতম লেখক, যাঁর নাম ও কাজ আজ পর্যন্ত টিকে আছে। এর আগের সব লেখাই ছিল বেনামি!

৪. ছাপাখানার আসল আবিষ্কারক

ইউরোপে ১৪৪০ সালে জার্মান উদ্ভাবক জোহানেস গুটেনবার্গ চলনশীল প্রিন্টিং প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। তাঁর প্রেসে ছাপা প্রথম বড় কাজ ছিল গুটেনবার্গ বাইবেল, যার মাত্র ৪৯টি কপি আজ পৃথিবীতে টিকে আছে। তবে গুটেনবার্গের অন্তত ৪০০ বছর আগে, ১০০০ খ্রিষ্টাব্দের দিকে চীনের বি শেং পোড়ামাটি ও চীনামাটির সাহায্যে বিশ্বের প্রথম চলনশীল ছাপাখানা তৈরি করেছিলেন। গুটেনবার্গের সুবিধা ছিল, তিনি ধাতব অক্ষর ব্যবহার করেছিলেন, যা অনেক বেশি টেকসই ছিল।

গুটেনবার্গ বাইবেল
ছবি: উইকিপিডিয়া

৫. বই কেন আয়তাকার হয়

বইয়ের এই বিশেষ আকারটি মানুষের সুবিধার জন্যই তৈরি। এই অনুপাতের কারণে দুই হাতে বই ধরে রাখা এবং এক লাইন থেকে অন্য লাইনে চোখ বুলিয়ে পড়া খুব সহজ হয়। বই যদি খুব বেশি চওড়া হতো, তবে পড়তে গেলে চোখের ওপর চাপ পড়ত। আবার অতিরিক্ত ভারী বা বড় হলে এর বাঁধাই ছিঁড়ে যেত দ্রুত। তবে ব্যতিক্রমও আছে। ১৯৪০ সালে প্রকাশিত শিশুদের জন্য তৈরি প্যাট দ্য বানি বইটি দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। এই বইয়ের পাতায় নরম কাপড় ও তুলো ব্যবহার করে অন্য রকম অনুভূতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন
ইউরোপে ১৪৪০ সালে জার্মান উদ্ভাবক জোহানেস গুটেনবার্গ চলনশীল প্রিন্টিং প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। তাঁর প্রেসে ছাপা প্রথম বড় কাজ ছিল গুটেনবার্গ বাইবেল

৬. বিশ্বের সবচেয়ে দামি বই

বইয়ের দাম আর কতই বা হতে পারে? ২০১৭ সালের এক নিলামে বুক অব মরমন-এর একটি হাতে লেখা কপি রেকর্ড ৩৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল! তবে দামি বইয়ের তালিকায় আরেকটি বিখ্যাত নাম লিওনার্দো দা ভিঞ্চির হাতে লেখা নোটবুক কোডেক্স লিসেস্টার (Codex Leicester)। ১৯৯৪ সালে বিল গেটস এটি কিনেছিলেন প্রায় ৩০.৮ মিলিয়ন ডলারে!

৭. একটি ভুল শব্দের জন্য বিশাল জরিমানা

বইয়ে টাইপো বা ছাপাখানার ভুল হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু ১৬৩১ সালে ইংল্যান্ডে রবার্ট বার্কার নামে এক মুদ্রাকর বিশাল এক বিপদে পড়েছিলেন। তিনি বাইবেলের একটি সংস্করণ ছাপতে গিয়ে ‘Thou shalt not commit adultery’ (তুমি ব্যভিচার করিবে না)-এর জায়গায় ভুল করে ‘not’ শব্দটি বাদ দিয়ে ছাপিয়েছিলেন! এই সংস্করণটির নাম হয়ে যায় উইকড বাইবেল বা পাপী বাইবেল। এই ভুলের জন্য তাঁকে বিশাল জরিমানা দিতে হয়েছিল। বাতিল করা হয়েছিল তাঁর লাইসেন্স। আরেকবার এক মুদ্রাকর ‘sin no more’ (আর পাপ কোরো না)-এর জায়গায় ‘sin on more’ (আরও পাপ করো) ছেপে বিপদে পড়েছিলেন!

আলবার্তো ম্যাঙ্গুয়েলের লেখে আ হিস্ট্রি অব রিডিং বইয়ের প্রচ্ছদ
ছবি: অ্যামাজন ডটইন

৮. নীরবে বই পড়া

আমরা এখন লাইব্রেরিতে বা ঘরে বসে মনে মনে বই পড়ি। কিন্তু আলবার্তো ম্যাঙ্গুয়েলের আ হিস্ট্রি অব রিডিং বই অনুযায়ী, ১৫০০ শতকের আগে সবাই জোরে জোরে শব্দ করে বই পড়ত। কারণ, তখন লেখাগুলোর মধ্যে কোনো ফাঁক বা স্পেস থাকত না। তাই শব্দ করে না পড়লে বাক্যের অর্থ বোঝাই যেত না। চতুর্থ শতাব্দীতে সেন্ট অগাস্টিন যখন দেখেছিলেন, বিশপ অ্যামব্রোজ শব্দ না করে নীরবে বই পড়ছেন, তখন তিনি রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন!

আরও পড়ুন
আলবার্তো ম্যাঙ্গুয়েলের আ হিস্ট্রি অব রিডিং বই অনুযায়ী, ১৫০০ শতকের আগে সবাই জোরে জোরে শব্দ করে বই পড়ত।

৯. নতুন লিখনপদ্ধতি ও লিপির উদ্ভাবক

১৮০০-এর দশকের শুরুতে সিকুয়াহ নামে এক অশিক্ষিত চেরোকি যোদ্ধা কেবল শব্দ শুনে শুনে চেরোকি ভাষার জন্য ৮৬টি অক্ষরের একটি সম্পূর্ণ নতুন লিখনপদ্ধতি তৈরি করেছিলেন। ইতিহাসের খুব কম মানুষই কোনো ভাষার অক্ষর না জেনে একদম শূন্য থেকে নতুন লিপি তৈরি করতে পেরেছেন। অন্যদিকে, ফরাসি নাগরিক লুই ব্রেইল কৈশোরে সামরিক বাহিনীর রাতের অন্ধকারে পড়ার কোড থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আবিষ্কার করেছিলেন দৃষ্টিহীনদের পড়ার মাধ্যম ‘ব্রেইল পদ্ধতি’।

ফরাসি নাগরিক লুই ব্রেইল
ছবি: ভোকাল মিডিয়া

১০. সবচেয়ে বেশি ভাষায় অনূদিত ও চলচ্চিত্রায়িত বই

বাইবেলের পর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাষায় অনূদিত হওয়া বইয়ের একটি ফরাসি লেখক অঁতোয়ান দ্য সাঁত-একজ্যুপেরির দ্য লিটল প্রিন্স। এটি বিশ্বের ৫০০টিরও বেশি ভাষা ও উপভাষায় অনূদিত হয়েছে। আর সবচেয়ে বেশিবার চলচ্চিত্র বানানো হয়েছে যেসব বই থেকে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ভিক্টর হুগোর লে মিজারেবলস, চার্লস ডিকেন্সের আ ক্রিসমাস ক্যারল এবং ব্রাম স্টোকারের ড্রাকুলা। শুধু চার্লস ডিকেন্সের আ ক্রিসমাস ক্যারল নিয়েই এ পর্যন্ত ৫০টিরও বেশি মুভি বা অ্যানিমেশন তৈরি হয়েছে!

আরও পড়ুন
ফরাসি নাগরিক লুই ব্রেইল কৈশোরে সামরিক বাহিনীর রাতের অন্ধকারে পড়ার কোড থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আবিষ্কার করেছিলেন দৃষ্টিহীনদের পড়ার মাধ্যম ব্রেইল পদ্ধতি।

১১. বাংলা ভাষার প্রথম বই

বাংলা ভাষার প্রথম ছাপানো বইয়ের ইতিহাসটা বেশ চমকপ্রদ। সাধারণত মনে হতে পারে, এটি হয়তো আমাদের দেশ থেকেই ছাপা হয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, বাংলা ভাষার প্রথম বইটি ছাপা হয়েছিল সুদূর ইউরোপের দেশ পর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে!

১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ বইটি লিখেছিলেন
ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স

১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও বইটি লিখেছিলেন। বইটির নাম ছিল কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ (Crepar Xaxtrer Orth, Bhed)। একই সঙ্গে তাঁর লেখা একটি বাংলা-পর্তুগিজ শব্দকোষও ছাপা হয়েছিল।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, বইটির ভাষা বাংলা হলেও এর অক্ষর বা হরফগুলো কিন্তু বাংলা ছিল না। কারণ, তখনো বাংলা ছাপার অক্ষর তৈরিই হয়নি। তাই পুরো বইটি ছাপা হয়েছিল রোমান বা ইংরেজি হরফে! এর ঠিক ৩৫ বছর পর, ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে প্রকাশিত নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের লেখা আ গ্রামার অব দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ বইটিতে প্রথমবারের মতো বাংলা হরফ ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন
উপন্যাসের সব শর্ত মেনে লেখা বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক বা পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের স্বীকৃতি দেওয়া হয় দুর্গেশনন্দিনীকে।

১২. বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস

বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস কোনটি, এ নিয়ে মজার একটা তর্ক আছে! আপনি যদি ইতিহাসের পাতা ঘাঁটেন, তবে দেখবেন ১৮৫৮ সালে প্যারীচাঁদ মিত্র টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে একটি বই লিখেছিলেন। বইটির নাম আলালের ঘরের দুলাল।

উপন্যাসের সব শর্ত মেনে লেখা বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক উপন্যাসের স্বীকৃতি দেওয়া হয় দুর্গেশনন্দিনীকে
ছবি: উইকিপিডিয়া

এটিকেই বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়। এই বইটিতে তিনি সেকালের কলকাতার এক ধনী পরিবারের বখে যাওয়া ছেলের গল্প বেশ চলিত ভাষা লিখেছিলেন।

তবে অনেক সাহিত্যিকের মতে, উপন্যাসের গঠন বা যে ধরনের নিয়মকানুন থাকা দরকার, তার কিছুটা অভাব ছিল এই বইয়ে। তাই উপন্যাসের সব শর্ত মেনে লেখা বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক বা পূর্ণাঙ্গ উপন্যাসের স্বীকৃতি দেওয়া হয় দুর্গেশনন্দিনীকে। সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৬৫ সালে এই দুর্দান্ত ঐতিহাসিক রোমান্টিক উপন্যাসটি লিখেছিলেন। অর্থাৎ, প্রথম উপন্যাসের দাবিদার আলালের ঘরের দুলাল হলেও, প্রথম নিখুঁত উপন্যাসের মুকুট কিন্তু দুর্গেশনন্দিনীর মাথাতেই!

সূত্র: বুকরিওট ডটকম

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস

আইজিএন ম্যাগাজিন

আরও পড়ুন