অক্টোবর মাসে বিজ্ঞানচিন্তায় সর্বোচ্চ পঠিত ১০টি লেখা লিংকসহ আছে এখানে। একনজরে সেগুলো দেখে নিন...
সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় ১৮৬টি দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্লেষণ করা হয়। সেই গবেষণার ফলাফলেই দেখা যায়, ৭টি প্রধান খাদ্যগোষ্ঠীর সব কটিতেই কেবল গায়ানা নিজস্ব উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
এই সাতটি প্রধান খাদ্য হলো ফলমূল, শাকসবজি, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, মাছ, মাংস, ডাল-বাদাম-বীজ এবং শর্করা বা শ্বেতসারজাতীয় প্রধান খাদ্য (যেমন: চাল, আলু ইত্যাদি)।
এখন মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, কেন কেবল গায়ানাই নিজেদের সব খাবার নিজেরা উৎপাদন করতে পারে?
বন্যজগতে টিকে থাকা বেশ কঠিন। এর জন্য শক্তি ও বুদ্ধি দুটোই লাগে। তবে মাঝেমধ্যে বন্যপ্রাণীরা এমন কিছু কাণ্ড করে বসে, যা দেখলে হাসি চেপে রাখা দায়! যেমন ধরুন, কেউ হয়তো বিখ্যাত রকস্টারের মতো পরচুলা পরে বসে আছে! কোনো ভালুক হয়তো মনে আনন্দে খুনসুটি করছে একটা পাখির সঙ্গে। এমনই সব হাস্যকর ও মজার ছবি নিয়ে হাজির হয়েছে ‘নাইকন কমেডি ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’। এবারের প্রতিযোগিতায় ১০ হাজারেরও বেশি ছবি জমা পড়েছিল, যা রীতিমতো একটা রেকর্ড। সেখান থেকে বাছাই করা সেরা কিছু মজার ছবি নিয়ে আমাদের এই ফটোফিচার।
মংলার আড়তে মাছওয়ালা যখন দুই বালতি থেকে দুই দরে কোরাল বিক্রি করেন, ক্রেতারা খুব একটা প্রশ্ন তোলেন না। একটি হয়তো মেঘনার মোহনা থেকে আসা, আরেকটি সরাসরি সাগর থেকে। দুটোই কোরাল, তবু দুটির স্বাদ ও দাম আলাদা। কিন্তু মৎস্যবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা!
সকাল কিংবা সন্ধ্যায় রান্নাঘরে ঢুকলেই নাকে আসে পরিচিত এক গন্ধ। কড়াইয়ে তেল গরম হচ্ছে, তাতে পেঁয়াজ পড়তেই শুরু হয়েছে ছ্যাঁত ছ্যাঁত শব্দ। একটু পর সেই তেলেই ভাজা হচ্ছে বেগুনি, আলুর চপ কিংবা মাছ। রান্নাঘরের এই ছোট্ট দৃশ্য আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ। কিন্তু কড়াইয়ের সেই তেলটা কী সরিষা নাকি সয়াবিন?
সমস্যা হলো, যে রোগ বাংলাদেশের জন্য সমস্যা, সেটা উন্নত বিশ্বের জন্য সমস্যা না-ও হতে পারে। ডেঙ্গুর বেলাতেও অনেকটা এমনই হয়েছে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি নতুন ওষুধ আবিষ্কৃত হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ডেঙ্গু যেহেতু আমেরিকার সমস্যা নয়, সুতরাং যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ আবিষ্কারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে এই রোগের ওষুধ বা টিকা তৈরি করতে চাইবে না। তবুও যে টিকা বা ওষুধ আবিষ্কারের চেষ্টা হচ্ছে না, তা কিন্তু নয়।
অবসরে সায়েন্স ফিকশন দেখতে পছন্দ করেন? কল্পরথে চড়ে ডানা মেলতে চান বিজ্ঞানের মজার সব তত্ত্ব এবং ভিন্ন বাস্তবতায়? তাহলে এই মুভিগুলো আপনার জন্য। এর কোনোটিতে ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে চলে যেতে পারেন মহাবিশ্বের দূরপ্রান্তের কোনো গ্রহে, কিংবা মহাকাশে জীবন বাঁচানোর লড়াই, সময়ের উল্টো দিকে কিংবা ভিন্ন এক মহাজাগতিক সভ্যতায়…
একটা ব্যাপার কি কখনো খেয়াল করেছেন? আমাদের আশপাশে তাকালে দেখবেন, বয়স্ক দাদুদের চেয়ে দিদিমারা বা নানিমারা যেন একটু বেশিই দিন বাঁচেন। পরিসংখ্যানও কিন্তু একই কথা বলে। সারা বিশ্বেই নারীদের গড় আয়ু পুরুষদের চেয়ে বেশি। ইউএনএফপিএ-এর মতে বাংলাদেশে নারীদের গড় আয়ু ৭৭ বছর, পুরুষের ৭৪ বছর। কিন্তু কেন?
সাইলো সিরিজের তৃতীয় সিজন শেষ হওয়ার পর মাটির নিচের জগৎ নিয়ে তৈরি সায়েন্স ফিকশন মুভিগুলোর প্রতি দর্শকদের আগ্রহ নতুন করে জেগে বেড়েছে। অ্যাপেল টিভির এই সিরিজে দেখানো হয়েছে, কীভাবে বিশ্বব্যাপী ন্যানোটেক যুদ্ধের পর মানবজাতিকে বাঁচাতে জর্জিয়ায় মাটির নিচে ৫০টি বিশাল বাঙ্কার তৈরি করা হয়েছিল, যার প্রতিটিতে ১০ হাজার মানুষ বাস করত।
হলিউড কয়েক দশক ধরেই মাটির নিচের জগৎ নিয়ে এমন দারুণ সব সায়েন্স ফিকশন সিনেমা তৈরি করে আসছে। ভূতাত্ত্বিক দিক দিয়ে এই মুভিগুলো কতটা বিজ্ঞানসম্মত, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে মাটির নিচের অজানা পরিবেশে মানুষের টিকে থাকার লড়াই দর্শকদের সব সময়ই মুগ্ধ করে। সাইলোর অভাব মেটাতে আজ এমন ১০টি আন্ডারগ্রাউন্ড সাই-ফাই মুভির তালিকা নিয়ে এসেছি, যেগুলো আপনার চিন্তার জগতকে আক্ষরিক অর্থেই মাটির নিচে নিয়ে যাবে।
ধরুন আপনি আমেরিকায় যাচ্ছেন। সঙ্গে আম বা পেঁপে নিয়েছেন। আপনাকে এয়ারপের্টে জিজ্ঞেস করবে, সঙ্গে কোনো টাটকা ফল আছে কি না, থাকলে তা নিতে দেবে না। ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়াসহ অনেক দেশেই এই আইন। কিন্তু কেন?
জীবনে এর চেয়ে বড় অবিচার আর কী হতে পারে। অনেকের কাছে যেখানে ওজন কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে এমন কিছু মানুষও আছেন যারা অনেক খেয়েও ওজন বাড়াতে পারেন না। বিষয়টা মজার মনে হলেও, যারা এই সমস্যায় আছেন তাদের কাছে এটা আসলে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারা এত খেয়েও ওজন বাড়াতে না পেরে, নিজেকে প্রশ্ন করে, কেন এমনটা হচ্ছে? এটা কি কোনো রোগ, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে? এর সমাধান কী? কীভাবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে ওজন বাড়ানো সম্ভব?