সেপ্টেম্বর মাসে বিজ্ঞানচিন্তায় সর্বোচ্চ পঠিত ১০টি লেখা লিংকসহ আছে এখানে। একনজরে সেগুলো দেখে নিন...
রাত সাড়ে দশটা। ঘরের তাপমাত্রা তখনও ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। রিমোটের সবুজ বোতাম টিপতেই কম্প্রেসারের গুনগুন শব্দ, তারপর ঠান্ডা বাতাসের প্রথম ঝাপটা। এই স্বস্তির পেছনে যে যন্ত্রটা একটানা খাটছে, সেটা ঠিক কতটা বিদ্যুৎ খরচ করছে, সেই হিসাব বেশির ভাগ মানুষই কখনো করে দেখেন না। মাস শেষে বিলের কাগজ হাতে পেয়ে চমকে যাওয়াটাই তখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এসি আসলে কী করে, যাতে আমাদের আরাম লাগে?
অসীম বা ইনফিনিটির কি শেষ আছে? নাকি অসীমের ভেতরেও লুকিয়ে আছে আরও বড় অসীম? প্রশ্নটা শুনে ছোটদের ধাঁধা মনে হতে পারে। কিন্তু গণিতবিদদের কাছে এটি নিছক ধাঁধা নয়, অত্যন্ত সিরিয়াস গবেষণার বিষয়।
সম্প্রতি ভিয়েনা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি এবং ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনার গবেষকেরা এই বিশালত্বের মাঝে নতুন দুটি স্তর খুঁজে পেয়েছেন। আর সমস্যা হলো, এই নতুন দুই ইনফিনিটি গণিতের চেনা নিয়মগুলো একদমই মানছে না।
এদের পূর্বসূরিদের মতো এরা অসীমের সাজানো গোছানো মইয়ের ধাপে সহজে বসতে চায় না। এদের আবিষ্কার গণিতবিদদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। তাঁরা এখন ভাবছেন, অসীম আসলে কী? অসীমের একেবারে গভীরে কি ঘাপটি মেরে আছে কোনো বিশৃঙ্খলা?
সাধারণত ছোটবেলায় আমরা জোরে শব্দ করে পড়ি। এতে সুবিধা হলো, বইয়ের লেখাগুলো ঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারছি কি না, তা আমাদের অভিভাবক বা শিক্ষকেরা শুনে বুঝতে পারেন এবং প্রয়োজনে সংশোধন করে দিতে পারেন। তবে নীরবে পড়ারও কিছু সুবিধা রয়েছে। নিঃশব্দে দ্রুত পড়া যায় এবং তা সহজে মনে থাকে। সাধারণত একটু উঁচু ক্লাসের শিক্ষার্থীরা নীরবে পড়া সুবিধাজনক বলে মনে করে। কিন্তু কোনটা বেশি ভালো?
গুগলে সার্চ করতে, ইউটিউবে ভিডিও দেখতে কিংবা অফিসের জরুরি মেইলটা জিমেইলে পাঠাতে আপনি কত টাকা খরচ করেন? আমি খরচ করি শূন্য টাকা। অর্থাৎ, একটি পয়সাও খরচ না করে আমি-আপনি গুগলের দারুণ সব সেবা ব্যবহার করছি। অথচ গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে! সঠিক অঙ্কটা হলো ৪০২.৮৩৬ বিলিয়ন ডলার। একই বছরে তাদের নিট মুনাফা হয়েছে ১৩২.১৭ বিলিয়ন ডলার।
প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, যে কোম্পানির এত জনপ্রিয় সব সেবার জন্য আমরা কোনো টাকাই দিই না, তাদের রাজকোষে এত এত টাকা ঢোকে কীভাবে?
আপনার পরিচিত এমন কোনো পরিবার আছে কি, যেখানে সবাই ভাই, কোনো বোন নেই। এমনকি তার বাবারও কোনো বোন নেই! উল্টোটাও হতে পারে। মানে পরিবারের সবাই শুধু মেয়ে, কোনো ছেলে নেই। এমনটা দেখলে আমরা সাধারণত ভাবি, এটা স্রেফ কাকতালীয় ব্যাপার বা কপালের লিখন। অনেকেই না বুঝে এর জন্য মাকে দায়ী করেন। কিন্তু এখানে মায়ের সামান্যতম দোষও নেই। কিন্তু কেন এমন হয়?
আলবার্ট আইনস্টাইন আমাদের মহাবিশ্বকে দেখার চোখটাই বদলে দিয়েছেন। কিন্তু তিনিও জীবনের অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন কোয়ান্টাম মেকানিকস ভুল প্রমাণ করতে। আইনস্টাইনের সেই বিখ্যাত উক্তিটা নিশ্চয়ই শুনেছেন, ‘ঈশ্বর মহাবিশ্ব নিয়ে পাশা খেলেন না’। তিনি বিশ্বাস করতেন, এই মহাবিশ্বের সবকিছু চলে নির্দিষ্ট নিয়মে। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিকস বলে উল্টো কথা।
৮০ হাজার বছর! সংখ্যাটা হজম করতে আপনার হয়তো একটু সময় লাগতে পারে। একটু হিসাব কষে দেখুন, আজ থেকে ঠিক ৮০ হাজার বছর আগে মানুষ সবেমাত্র নিয়ানডার্থালদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জঙ্গলে টিকে থাকার কায়দাকানুন শিখছে। আর এখন?
অবসরে সায়েন্স ফিকশন দেখতে পছন্দ করেন? কল্পরথে চড়ে ডানা মেলতে চান বিজ্ঞানের মজার সব তত্ত্ব এবং ভিন্ন বাস্তবতায়? তাহলে এই মুভিগুলো আপনার জন্য। এর কোনোটিতে ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে চলে যেতে পারেন মহাবিশ্বের দূরপ্রান্তের কোনো গ্রহে, দেখতে পারেন মহাকাশে জীবন বাঁচানোর লড়াই, সময়ের উল্টো দিকে যাত্রা কিংবা ভিন্ন এক মহাজাগতিক সভ্যতা...
দুজন মানুষের যোগাযোগ হচ্ছে কেবল স্বপ্নে। হয়তো স্বপ্নেই তাঁরা একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেছেন। একেক দিন স্বপ্নে একেক রকম অভিজ্ঞতা ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করছেন তাঁরা। ঘুম থেকে উঠে বাস্তবে হয়তো হন্যে হয়ে খুঁজছেন অপর মানুষটিকে। কিন্তু বাস্তবে সেই মানুষটার কোনো অস্তিত্ব আছে কি না, তা দুজনের কেউই নিশ্চিত নন। আবার পরের দিন স্বপ্নে যে সেই মানুষটার সঙ্গেই দেখা হবে, তা-ও নিয়ন্ত্রণ করার উপায় নেই।
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা মুভির বড় পর্দায় হয়তো এমন দৃশ্য আপনি দেখেছেন। কিন্তু বাস্তবে কি সত্যিই স্বপ্নে দুজন মানুষের মধ্যে যোগাযোগ হওয়া সম্ভব?
সকাল ও রাতে নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করেন প্রায় সবাই। প্রতিদিন অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করা মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার অন্যতম প্রধান উপায়। কিন্তু তারপরও অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। দাঁতের বিশেষজ্ঞদের মতে, হ্যালিটোসিস বা মুখের দুর্গন্ধের পেছনে এমন কিছু কারণ আছে, যা কেবল দাঁত ব্রাশ করে দূর করা সম্ভব নয়। তাহলে এর থেকে মুক্তির উপায় কী?