জানুয়ারি মাসে বিজ্ঞানচিন্তায় সর্বোচ্চ পঠিত ১০টি লেখা লিংকসহ আছে এখানে। একনজরে সেগুলো দেখে নিন।
আধুনিক কর্পোরেট দুনিয়ায় কাঁচঘেরা দেয়ালহীন এই অফিসগুলোকে দীর্ঘদিন ধরে প্রগতি, স্বচ্ছতা ও সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে—এখানে কোনো দেয়াল নেই, কোনো দূরত্ব নেই, সবাই সমান। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়—এই নকশা কি সত্যিই কাজের গতি বাড়ায়? নাকি এটি ধীরে ধীরে কর্মীদের ঠেলে দেয় এক অদৃশ্য কিন্তু গভীর মানসিক চাপে?
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করলেই দেখা যায় ইনফ্লুয়েন্সাররা এক হাতে লেবু ও অন্য হাতে ধোঁয়া ওঠা মগ নিয়ে বলছেন, ‘মাত্র এক সপ্তাহ এই পানীয় নিয়মিত খেলে ওজন কমে যাবে!’ শরীর বিষমুক্ত হওয়া, হজম ভালো হওয়া, ত্বক মসৃণ হওয়া থেকে শুরু করে এর নাকি হাজারো গুণ। এটি নাকি শক্তি বাড়ায়, এমনকি মনোযোগও বৃদ্ধি করে। কিন্তু বিজ্ঞান কী বলে? এই দাবিগুলো কতটা সত্য?
আমরা চা ও কফি দুই-ই পান করি। কিন্তু অনেক সময় ভাবি কোনটি ভালো। এ বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে। অনেক গবেষণাও হয়েছে। কফির অনেক গুণ। তবে চায়েরও কম নয়। কয়েক শ বছর আগে ব্রিটিশরা এ দেশে চা পান জনপ্রিয় করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে বলত চায়ে অনেক উপকারিতা।
ধরুন, আপনার বন্ধু একটা বড় সংখ্যা দিল। যেমন ৯১। এখন আপনাকে জিজ্ঞেস ক্রল, কোন দুটি সংখ্যা গুণ করলে ৯১ হবে? আপনি হয়তো একটু ভেবেচিন্তে বলে দেবেন, ৭ আর ১৩ গুণ করলে ৯১ হয়। কিন্তু আপনাকে যদি বলা হয়, কোন দুটি সংখ্যা গুণ করলে ১২৫৮৯৪৫৮৬২৮৫ হয়, তাহলে বলতে পারবেন?
আলবার্ট আইনস্টাইন আমাদের মহাবিশ্বকে দেখার চোখটাই বদলে দিয়েছেন। কিন্তু তিনিও জীবনের অনেকটা সময় ব্যয় করেছেন কোয়ান্টাম মেকানিকস ভুল প্রমাণ করতে। আইনস্টাইনের সেই বিখ্যাত উক্তিটা নিশ্চয়ই শুনেছেন, ‘ঈশ্বর মহাবিশ্ব নিয়ে পাশা খেলেন না’। তিনি বিশ্বাস করতেন, এই মহাবিশ্বের সবকিছু চলে নির্দিষ্ট নিয়মে। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিকস বলে উল্টো কথা।
অতীত মানেই কি ঘটে যাওয়া নিশ্চিত কোনো ঘটনা? কোয়ান্টাম মেকানিকস বলছে, মোটেও না! আপনি এখন কী দেখছেন, তার ওপর ভিত্তি করে ঠিক হতে পারে অতীতে কী ঘটেছিল। জন হুইলারের বিখ্যাত পরীক্ষা আর কোয়ান্টাম জগতের এই অদ্ভুত ধাঁধা নিয়ে জানুন এই লেখায়।
যে একবার শিং মাছের কাঁটার গুঁতো খেয়েছে সে বোঝে এর যাতনা কত, এর বিষ কী সাংঘাতিক। প্রশ্ন হলো শিং মাছ, মাগুর মাছ বা ট্যাংরা মাছের শিংয়ের দরকার কেন হলো, অন্য মাছের তো নেই।
মনে করো, তোমার হাতে একটা ডিকশনারি আছে। ওটা তোমার বন্ধুর হাতে দাও। এবার ওকে কিছু গাণিতিক নির্দেশনা দিতে হবে। আর তারপরই সে ডিকশনারির যে শব্দই মনে মনে পড়বে, তুমি তা বলে দিতে পারবে। যেন গাণিতিক টেলিপ্যাথি! কীভাবে জাদুটা দেখাবে, তা বলে দিচ্ছি। আর কেন তুমি ডিকশনারির যেকোনো শব্দই বলে দিতে পারবে, বলছি তাও।
২০২৬ সালটাকে অনেকের কাছে বেশ বোরিং মনে হতে পারে। মনে হতে পারে, এই সংখ্যার মধ্যে বিশেষ কোনো কারিশমা নেই। কিন্তু এই ধারণাটি একদম ভুল! ২০২৬ সংখ্যাটিও কিন্তু দারুণ রহস্যময় এবং মজার সংখ্যা।
শখের স্মার্টফোনটা কিনেছেন মাত্র এক বছর হলো। এরই মধ্যে ব্যাটারি ব্যাকআপ কমে অর্ধেক! মেজাজ খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কেন এমন হয়? এতদিন এটা ছিল এক রহস্য।