প্রকৃতি সব সময় আমাদের চমকে দেয়। কখনো ভালোবাসার উষ্ণতায়, কখনো বেঁচে থাকার নির্মম সংগ্রামে। লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম আয়োজিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার অফ দ্য ইয়ার’ প্রতিযোগিতায় প্রতিবারের মতো এবারও উঠে এসেছে বিশ্বের নানা প্রান্তের অবিশ্বাস্য সব দৃশ্য। ১১৩টি দেশ থেকে জমা পড়া প্রায় ৬০ হাজার ছবির মধ্য থেকে বিচারকেরা বেছে নিয়েছেন সেরা কিছু ছবি।
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি বা মুভির বড় পর্দায় আমরা এমন অনেক দৃশ্য দেখেছি যেখানে দুজন মানুষের যোগাযোগ হচ্ছে কেবল স্বপ্নে। কিন্তু বাস্তবে কি তা সত্যিই সম্ভব? এমন প্রশ্ন আপনার মনে জাগতেই পারে। মজার ব্যাপার হলো, বিজ্ঞানীরা আপনার এই ভাবনাকে একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকেরা এক হাজারেরও বেশি কাঁচা খাবার বিশ্লেষণ করে একটি তালিকা তৈরি করেছেন। কোন খাবার কতটা ভালোভাবে আমাদের দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন, ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান জোগাতে পারে, তার ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে একধরনের পুষ্টিগুণ স্কোর। স্কোর যত বেশি, খাবার তত বেশি আদর্শ ও উপকারী।
জুরাসিক পার্ক মুভির সেই বিশাল টি-রেক্স বা গগনচুম্বী ব্রাকিওসরাসের কথা মনে আছে? মাটি কাঁপিয়ে চলা সেই বিশাল সব প্রাণীর ভিড়ে কি কখনো মুরগির সমান ডাইনোসরের কথা ভেবেছেন? বিশ্বাস করতে কষ্ট হলেও সত্যি, স্পেনের বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমনই এক খুদে ডাইনোসরের খোঁজ পেয়েছেন। এটাই বিজ্ঞানীদের এতদিনের জানা অনেক সমীকরণই উল্টে-পাল্টে দিচ্ছে।
মাথাব্যথা আমাদের সবারই একটা কমন অসুখ। এমন কেউ নেই, যে জীবনে কখনো মাথাব্যথায় ভোগেনি। প্রায় সব বয়সের মানুষই কোনো না কোনো সময় মাথাব্যথায় ভোগে। কিন্তু কেন এই সমস্যা হয়?
বাজারে আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য হাজারো খাবার রয়েছে। কিন্তু এর ভিড়ে সেরা পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাবারটি বেছে নেওয়া বেশ কঠিন। সম্প্রতি গবেষকেরা এক হাজারের বেশি খাবার বিশ্লেষণ করে আমাদের শরীরের জন্য সেরা কিছু খাবারের তালিকা তৈরি করেছেন। আমরা প্রতিদিন মাছ-মাংস ও শর্করা নিয়ে যতটা ভাবি, ছোটখাটো কিছু উপাদানের কথা ততটাই ভুলে যাই।
গ্রহাণুর কথা শুনলেই আমাদের মনে পড়ে ডাইনোসরদের বিলুপ্তির দৃশ্য। আজ থেকে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি বছর আগে বিশাল এক গ্রহাণুর আঘাতেই পৃথিবী থেকে ডাইনোসরেরা হারিয়ে গিয়েছিল। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতটা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ওই মাপের বিশাল গ্রহাণু সচরাচর পৃথিবীকে আঘাত করে না। তাহলে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা কেন চিন্তিত?
অসীম বা ইনফিনিটির কি শেষ আছে? নাকি অসীমের ভেতরেও লুকিয়ে আছে আরও বড় অসীম? প্রশ্নটা শুনে ছোটদের ধাঁধা মনে হতে পারে। কিন্তু গণিতবিদদের কাছে এটি নিছক ধাঁধা নয়, অত্যন্ত সিরিয়াস গবেষণার বিষয়।
সিগনেচার বা স্বাক্ষর কি শুধু আপনার পরিচয় নির্ধারণের মাধ্যম বা কেবল একটি নাম লেখার উপায়? গ্রাফোলজিস্ট বা হাতের লেখার বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি স্বাক্ষর থেকে আপনার পাবলিক ইমেজ বা অন্যদের সামনে আপনি নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করতে চান, সে সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা পাওয়া যায়।
ব্ল্যাকহোলের চারপাশের উত্তপ্ত গ্যাস ও ধুলিকণার যে বলয় থাকে, তাকে বলে অ্যাক্রিশন ডিস্ক। এই ডিস্ক থেকে আসা আলো দেখেই বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ব টের পান। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ কোলাবোরেশন কয়েক বছর আগে আমাদের এই ব্ল্যাকহোলের ছায়ার প্রথম ছবি তুলেছিল। সেই ঝাপসা, কমলা রঙের আগুনের আংটির মতো ছবিটি নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে?